বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরাযীকান্দি দরবার শরীফের পীর আল্লামা মানযুর আহমদ বোরহানী’র ১১তম উয়েস্বাল শরীফ

মানযুর আহমদ রিফায়ী সুন্নীয়তের এক অমরসত্ত্বা ছিলেন : নুরুল আমিন রুহুল এমপি

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩, ৭:৫২ পিএম
মানযুর আহমদ রিফায়ী সুন্নীয়তের এক অমরসত্ত্বা ছিলেন : নুরুল আমিন রুহুল এমপি

মতলব উত্তরের ফরাযীকান্দি ওয়েসিয়া দরবার শরীফের পীর আল্লামা শায়খ সায়্যিদ মানযুর আহমদ বোরহানী’র ১১তম উয়েস্বাল শরীফ উদযাপন করা হয়েছে।

তিনদিনের অনুষ্ঠানমালার শেষদিন রোববার উয়েসীয়া দরবার শরীফের মাসজিদুল ফাতেমা-তুজ-যাহরা’র সামনের মাঠে উয়েস্বাল শরীফ উপলক্ষ্যে ওয়াজ মাহফিলে প্রদান অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) এর জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

ফরাযীকান্দি ওয়েসিয়া দরবার শরীফের পীর আল্লামা শায়খ সায়্যিদ মাসউদ আহমদ বোরহানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য সরকার মো. আলাউদ্দিন, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করীম, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, নেদায়ে ইসলাম পরিচালনা কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শামসুজ্জামান ডলার।

আল্লামা শায়খ সায়্যিদ মানযুর আহমদ বোরহানী’র ১১তম উয়েস্বাল শরীফ উপলক্ষ্যে ওয়াজ করেন, ফরাজীকান্দি ওয়েসীয়া কামিল মাদরাসার সাবেক মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (আদিব হুজুর), ফয়েজিয়া দরবার শরীফের পীর মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব তাহেরী’সহ দেশবরেণ্য প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন বয়ান করেন।

Model Hospital

আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলেন, সুন্নীয়তের প্রচার ও প্রসারে অবদান রেখেছেন এবং বাতেলদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন আল্লামা মানযুর আহমদ। তিনি সুন্নীয়তের পতাকাকে সমুন্নত রাখার জন্য আজীবন বাতেলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন এবং ক্ষুরধার লেখনী ও অনলবর্ষী যুক্তিপূর্ণ ভাষনের মাধ্যমে বাতেলদের সকল সরযন্ত্রের মোকাবিলা করেছেন।

তিনিই সকল ভ্রান্ত ধারনার সরুপ উম্মোচন করেছেন এবং এই সব এর দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছেন। তিনি বাতেলদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মোনাজেরায় অংশ গ্রহণ করেছেন এবং বিজয়ের সাফল্য নিয়ে ঘরে ফিরেছেন। বলা বাহুল্য তিনি ছিলেন সুন্নীয়তের এক অকুতোভয় সেনাপতি এবং মুজতাহিদ।

তিনি আরো বলেণ, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি ঈমানদার মুসলমান। তিনি কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি। তারই যোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকা-কে যথাযোগ্য মর্যাদায় উন্নতি করেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উৎসাহী করার কৃতিত্ব সম্পূর্ণ তার।

সাংসদ রুহুল বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বল্পকালীন শাসনামলে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণার্থে গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত পদক্ষেপ যেমন ছিল, তেমনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের বিষয়াদি বিবেচনায় রেখে তিনি ইসলামের প্রচার-প্রসারে গ্রহণ করেছিলেন বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকরী নানা ব্যবস্থা।

তিনি যেমন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মহান স্থপতি, তেমনি বাংলাদেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামের প্রচার-প্রসারের স্থপতিও তিনিই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মসজিদ ও ইসলামি কেন্দ্র, একাডেমি ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা ও রক্ষানাবেক্ষন করা, বায়তুল মুকারারম মসজিদের ব্যবস্থাপনা ও উন্নতি সাধন করা, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন , বেতার ও টিভিতে কুরআন তিলাওয়াত প্রচার, কাকরাইল মসজিদের জন্য অতিরিক্ত জায়গা বরাদ্দ, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার জন্য স্থান নির্ধারণ, হজযাত্রীদের জন্য ভ্রমণ কর রহিতকরণ, বাংলাদেশ সিরাত মজলিস প্রতিষ্ঠা ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপন, ঈদে-মিলাদুন্নবী (স), শব-ই-কদর, শব-ই-বরাত উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি ঘোষনা, সুশীল সমাজ গঠনে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ এবং শাস্তির বিধান করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital