ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাকার অভাবে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীর পাশে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ

টাকার অভাবে অনিশ্চিত ছিল চাঁদপুর সরকারি  বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে চান্সপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সাথীর ভর্তি। এমন খবর জানতে পেরে মেধাবী এই শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ।
সাথীর বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভাওয়াল গ্রামে। উপজেলার শোল্লা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। পরে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে পড়াশোনার সুযোগ পায় সাথী।
ভর্তির সুযোগ পেলেও তার দিনমজুর বাবা জাহাঙ্গীরের পক্ষে মেয়েকে ভর্তির টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সাথী বলেন, গত বছর টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারিনি, এ বছরও আমার ভর্তির সময় প্রায় শেষ পর্যায়ে। কোনো ভাবেই আমার ভর্তির টাকা জোগাড় করতে পারছিল না আমার পরিবার। অতঃপর দেবদূত হয়ে পাশে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহায়তায় আমি অনার্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।
সাথী আরও বলেন, আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। এই দুঃসময়ে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের নেতৃবৃন্দ যেভাবে আমার পাশে দাঁড়ালেন আমি নামাজ পড়ে সবসময় দোয়া করব তাদের জন্য। আমার পরিবারও দোয়া করবে। আল্লাহ তাদেরকে এবং এই সংগঠনকে আরও অনেক বড় করুক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহাবুদ্দিন ইমন বলেন, গত বছরের অনার্স ভর্তি পরীক্ষায় সাথী চান্স পেলেও টাকার অভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল তার ভর্তি কার্যক্রম। এ বছরও টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছিল না আমার সাবেক বিদ্যাপীঠের মেধাবী এক শিক্ষার্থীর ভর্তি। বিভিন্ন মাধ্যমে এমন খবর জানামাত্রই সংগঠনের সদস্যদের পরামর্শে ও সহায়তায় পাশে দাঁড়ানোর কথা বলি। অল্পকিছু টাকার জন্য একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন এভাবে ধ্বংস যাতে না হয়, এই বিষয়টি ভেবে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আমরা তার পাশে দাঁড়াই। আমরা চেষ্টা করি অসহায় মানুষের পাশে থাকার। ভবিষ্যতেও এই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যাতে চলমান রাখতে পারে সে জন্য তার পাশে থাকবে সংগঠন।
উল্লেখ্যঃ ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ ইতিপূর্বে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা বৃত্তিপ্রদানসহ মাদক, ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে।
ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

টাকার অভাবে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীর পাশে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩
টাকার অভাবে অনিশ্চিত ছিল চাঁদপুর সরকারি  বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে চান্সপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সাথীর ভর্তি। এমন খবর জানতে পেরে মেধাবী এই শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ।
সাথীর বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভাওয়াল গ্রামে। উপজেলার শোল্লা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। পরে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে পড়াশোনার সুযোগ পায় সাথী।
ভর্তির সুযোগ পেলেও তার দিনমজুর বাবা জাহাঙ্গীরের পক্ষে মেয়েকে ভর্তির টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সাথী বলেন, গত বছর টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারিনি, এ বছরও আমার ভর্তির সময় প্রায় শেষ পর্যায়ে। কোনো ভাবেই আমার ভর্তির টাকা জোগাড় করতে পারছিল না আমার পরিবার। অতঃপর দেবদূত হয়ে পাশে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহায়তায় আমি অনার্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।
সাথী আরও বলেন, আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। এই দুঃসময়ে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের নেতৃবৃন্দ যেভাবে আমার পাশে দাঁড়ালেন আমি নামাজ পড়ে সবসময় দোয়া করব তাদের জন্য। আমার পরিবারও দোয়া করবে। আল্লাহ তাদেরকে এবং এই সংগঠনকে আরও অনেক বড় করুক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহাবুদ্দিন ইমন বলেন, গত বছরের অনার্স ভর্তি পরীক্ষায় সাথী চান্স পেলেও টাকার অভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল তার ভর্তি কার্যক্রম। এ বছরও টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছিল না আমার সাবেক বিদ্যাপীঠের মেধাবী এক শিক্ষার্থীর ভর্তি। বিভিন্ন মাধ্যমে এমন খবর জানামাত্রই সংগঠনের সদস্যদের পরামর্শে ও সহায়তায় পাশে দাঁড়ানোর কথা বলি। অল্পকিছু টাকার জন্য একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন এভাবে ধ্বংস যাতে না হয়, এই বিষয়টি ভেবে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আমরা তার পাশে দাঁড়াই। আমরা চেষ্টা করি অসহায় মানুষের পাশে থাকার। ভবিষ্যতেও এই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যাতে চলমান রাখতে পারে সে জন্য তার পাশে থাকবে সংগঠন।
উল্লেখ্যঃ ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ ইতিপূর্বে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা বৃত্তিপ্রদানসহ মাদক, ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে।