বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩, ৮:৫১ পিএম
ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের আনন্দ বাজারের ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসায়ী মো. হিরন হাজীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকার সাধারন মানুষ।

১২ জুন সোমবার বিকেলে বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আনন্দ বাজার ব্যবসায়ী মো. হিরন হাজীকে হত্যার উদ্দেশ্য হামলা করেছে পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. এমরান হোসেন।

তারা আরো বলেন, হিরন হাজী ও এমরান মেম্বার একই এলাকায় ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করে আসছে। গত ১০ জুন রাত ১১ টার দিকে হিরন হাজী ইন্টারনেটের সংযোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিম সাহাপুর নওশা গাজী বাড়িতে যায়। সেখানে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এমরান মেম্বার ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা সংযোগ দিতে বাঁধা প্রদান করে, বাঁধা উপেক্ষা করে সংযোগ প্রদানের একপর্যায়ে এমরান মেম্বার ও সাঙ্গপাঙ্গরা দেশী অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্য হিরনের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে হিরন হাজীর মাথা পেটে যায় এবং প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। গুরুতর আহতবস্থায় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

Model Hospital

মানববন্ধনে বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীরা এমরান মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিচার দাবী করেন।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য এমরান হোসেন জানান, ১০ জুন রাত ১১ টার দিকে অজ্ঞাত নাম্বার থেকে ফোন আসে আমার ইন্টারনেট সংযোগ কেটে ফেলা হচ্ছে। তাৎক্ষণিক আমি আমার ভাইসহ ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি হিরন তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে আমার সংযোগ কেটে নতুন করে সংযোগ দিচ্ছে, আমি তাকে বাঁধা প্রদান করি। এক পর্যায়ে হিরন আমাকে কিল ঘুসি মারতে থাকে। আমার ভাই তাতে বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে। পরে আমি স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার আমাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে। আর আমার ভাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার সহকারি উপপুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আমজাদ হোসেন বলেন, জরুরী সেবা (৯৯৯) কল পেয়ে মারামারির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয়পক্ষকে থানায় অথবা আদালতের স্বরনাপন্ন হওয়ার জন্য বলেছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।