বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর ছায়াবানী হলে ভাবীর সাথে ‘লাল কাজল’ সিনেমা দেখেছে আসিফ

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩, ৬:০৭ পিএম
চাঁদপুর ছায়াবানী হলে ভাবীর সাথে ‘লাল কাজল’ সিনেমা দেখেছে আসিফ

ঘুরেফিরে চাঁদপুরের সাথে আমার সংযোগ কিভাবে যেন ঘটেই যায়। ফুপাতো ভাইয়ের বিয়ের সময় ভাবী থাকতেন চাঁদপুরে। ক্লাস ফোরে বাসা থেকে বলাখাল পালিয়ে যাবার ঐ সময়টাতেই ভাইয়ার বিয়ে হয়ে যায়, তখন যাওয়া হয়নি। ভাবীরা ছয়বোন দুই ভাই, সবাই আমার বড়।

চাঁদপুরে উনাদের বাসায় বেড়াতে গিয়ে রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানায় হিসু করে দিতাম। সকালে এক মহা লজ্জ্বাষ্কর সিকোয়েন্স, আপারা মুখ টিপে হাসতেন। আর আমার ভয়েস অব আমেরিকা ভাবীজান সুযোগ পেলে এখনো সেই গল্প মহাসমারোহে মাইকিং করতে ভুলেন না। চিত্রলেখা হলে ভাবীর সাথে দর্পচূর্ণ সিনেমাটি দেখেছি, ছায়াবানীতে দেখেছি লাল কাজল। তালই মশাই পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় থানার ভিতরে বাসা ছিল, থানার পুকুরটাও খুব মনে আসে।

৮৮ সালে অনুর্ধ ১৬ ন্যাশনাল ক্রিকেট খেলতে গেছি বরিশালে। কুমিল্লা থেকে বোগদাদ ট্রান্সপোর্টে চাঁদপুর, সেখান থেকে লঞ্চে বরিশাল। তখনকার ছোট লঞ্চগুলোকে মনে হতো টাইটানিক। এবার পদ্মা মেঘনা ডাকাতিয়ার কুলকিনারাহীন মোহনা দেখে সেই সময়ের ফ্ল্যাশব্যাক চলে আসলো, ভয়ে পেটের নীচে কেমন যেন একটা চাপ অনুভব করলাম। কল্পনায় অনন্ত জলরাশির বুকে পুরনো সেই ছোট্ট লঞ্চটাকে বাদামের খোসাই মনে হলো। দারুন রোমাঞ্চকর এক জার্নি ছিল, নদীপথ চোখে পরলেই চাঁদপুর শহরটা মানসপটে চলে আসে অটোম্যাটিক। চাঁদপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট লীগ খেলেছি। জিলা স্কুলে পড়াকালীন সময় স্কুল পালিয়ে ট্রেনে চড়ে চাঁদপুর চলে এসেছি।

Model Hospital

গায়ক হবার পর গীতিকবি কবির বকুল ভাইয়ের হাত ধরে আবারো চাঁদপুরের সাথে সংযোগ ঘটে গেল। দীর্ঘ বিরতি শেষে কদিন আগে আবার গেলাম একটা পারিবারিক অনুষ্ঠানে। হ্যালো সুপারস্টার্স অ্যাপের ফাউন্ডার আমার অফিস বস, উনার বাড়ী চাঁদপুর হবার সুবাদে আরো একবার এন্ট্রি নিলাম।

চাঁদপুর শহরটায় খুব একটা পরিবর্তন চোখে পড়েনি, অটো রিক্সার অত্যাচার ছাড়া শহরটা মোটামুটি আগের মতই ছিমছাম আছে। বড় স্টেশন মোলহেড মিনি পার্কে খুব ভোরে মেঘনার ফ্রেশ হাওয়া গায়ে মাখানোর লোভটা সবসময়ই ছিল, এবারও মিস করিনি। বিশ্বের সেরা রুপালি ইলিশ এই চাঁদপুরের অহঙ্কার। স্মৃতিমধুর নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত হতে চাঁদপুর যেতে চাই বারবার…
ভালবাসা অবিরাম…

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital