বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নারীর লাশ উদ্ধার : প্রবাসীসহ দুই যুবকের আত্মহত্যা, শিশু নিহত

মতলব উত্তরে নারী ও শিশু সহ ৪ লাশ উদ্ধার

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০২৩, ৯:০২ পিএম
মতলব উত্তরে নারী ও শিশু সহ ৪ লাশ উদ্ধার

মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের নয়াকান্দি মেইন রোড থেকে পলি আক্তার (২৭) নামে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪ জুলাই ভোরে তার লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার পোস্টমর্টেমে পাঠানো হয়েছে। পলি আক্তার নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার শিবপুর এলাকার তাজুল ইসলামের মেয়ে।

এদিকে উপজেলার পশ্চিম রায়েরদিয়া গ্রামের সিংগাপুর প্রবাসী মোঃ মাছুম আত্মহত্যা করেছেন। গত ২ জুলাই পারিবারিক কলোহের জেড় ধরে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এই প্রবাসী। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৪ জুলাই রাতে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মঙ্গলবার সকালে তার নিথর দেহ বাড়িতে আনলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মা ও স্বজনরা।

মতলব উত্তর উপজেলার জঙ্গল ইসলামাবাদ গ্রামের মোবারক মিয়াজীর ছেলে শুক্কুর আলী মিয়াজী (২০) বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার বিষপান করার পর তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

এছাড়াও উপজেলার পশ্চিম নাউরী গ্রামের কামাল সরকারের শিশু সন্তান আরাফাত আর রাফি (৩) নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় নাউরী থেকে ইজিবাইক যোগে পাচানী চৌরাস্তা বাজারে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে গুরুতর আহত হয় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Model Hospital

আত্মহত্যাকারী মাছুমের বাড়িতে গিয়ে জানা গেছে, পারিবারিক কলোহের জেড় ধরে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সুত্র জানায়, মাছুম পাশের ডুবগী গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার কন্যা ইয়াসমিন আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করেন। তারপর কর্মের জন্য পাড়ি জমান প্রবাসে। সেখান থেকে রোজগারের সব টাকা স্ত্রীর কাছেই পাঠাতেন। সবশেষে গত ২৯ জুন ঈদুল আজহার দিন দেশে আসেন মাছুম। স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের সাথে কলোহ সৃষ্টি হলে মাছুম তার শ্বশুর বাড়িতে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বিষ পান করেন। মাছুমের পিতা নবী হোসেন এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন আমার ছেলে অত্যন্ত ভালো ছিল। ইয়াসমিনকে সে সম্পর্ক করে বিয়ে করেছে। তার সমস্ত টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে মাছুমের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। তা সহ্য করতে না পেরেই আমার ছেলে আত্মহত্যা করেছে।

এদিকে মাছুমের স্ত্রী ইয়াসমিন জানান, মাছুম কেন আত্মহত্যা করেছে তা তিনি জানেন না।

ঘটনার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মতলব উত্তর থানার এসআই সুজিত ও আল-আমিন সহ সঙ্গীয় ফোর্স। জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য মাছুমের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে।

এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন মাছুমের পিতা নবী হোসেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital