শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে কালোবাজারিদের হাতে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩, ৮:৫২ পিএম
চাঁদপুরে কালোবাজারিদের হাতে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট
চাঁদপুরে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কালোবাজারি করে আসছে। এ নিয়ে সাধারন যাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। যাত্রীরা
অভিযোগ করে বলেন, নির্ধারিত মূল্যের ৮৫ টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। বেসরকারি কোম্পানি মেসার্স এন এল ট্রেডিংয়ের ব্যবস্থাপনায় চাঁদপুর-চট্টগ্রামের চলাচলকারী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ এই ট্রেনের বহু  যাত্রীর। কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ না করায় দিন দিন চক্রটির দৌরাত্ম্য আরও বাড়ছে। যাত্রীরা এই বিষয়ে স্থানীয়ভাবে কোনো ধরনের অভিযোগ কিংবা সমাধান না পেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে টিকিট কিনতে বাদ্য হচ্ছে। যার ফলে এই ট্রেনের চাঁদপুরের যাত্রীদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সোমবার সরজমিনে ট্রেন স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় কাউন্টারের পাশেই দাড়িয়ে জনৈক ব্যাক্তি উচ্চ মূল্যে টিকেট বিক্রি করছে তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে দৌরে পালিয়ে যায়।চাঁদপুরে স্টেশনে অবস্থানরত চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের সাথে আলাপকালে  তারা বলেন,  আমরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর স্টেশনে দুপুর ১টার পূর্বে উপস্থিত হই। সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে জানতে পারি সকল টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। অথচ আমি টিকিটের জন্য লাইনে থাকা অবস্থায় কালোবাজারি চক্রের সদস্যরা কাউন্টার থেকে টিকিট নিয়ে গেছেন। পরে কাউন্টার থেকে বলা হয় স্ট্যান্ডিং টিকিট নেয়ার জন্য।
আমাকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যেতে হবে। আমার মতো একই ধরনের সমস্যায় পড়েছেন আরও বহুযাত্রী। সাগরিকা এক্সপ্রেসের বড় স্টেশনের টিকিট বিক্রেতা  জানান, বিভিন্ন নেতা পরিচয়ে কিছু লোক এসে আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টিকিট ক্রয় করে নিয়ে যায়।
খোজনিয়ে জানাযায়, বড়স্টেশন এলাকার কিছু লোকজন সরকার দলীয় নেতা পরিচয় দিয়ে প্রায় সময়েই টিকেট কাউনরটারের লোকদের সাথে আতাত করে বেশ কিছু টিকেট তারা আগে ভাগেই নিয়ে থাকে।
পরবর্তিতে উক্ত টিকেট গুলো উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে থাকে।
 টিকিটের মূল্যের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে সকাল  সাড়ে ৭ টায় এবং চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় দুপুর আড়াইটায়। চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম টিকিটের নির্ধারিত মূল্য ৮৫ টাকা। একই টিকিট কালোবাজারে বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। চাঁদপুর থেকে লাকসাম নির্ধারিত টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। কালোবাজারে বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৭০টাকা। কালোবাজির মাধ্যমে টিকিটের অতিরিক্ত নেয়া মূল্য টিকিট বিক্রেতা, ইনচার্জ ও চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নিচ্ছে।
চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার সোয়াইবুল শিকদার বলেন, যেহেতু এই ট্রেনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলাচল করছে। যাত্রীদের কোনো অভিযোগ পেলে আমরা এর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। তাদের কোম্পানির চট্টগ্রামের দায়িত্বরত ম্যানেজারই ব্যবস্থা নিতে পারেন। আমাদের কাছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ প্রায় সময়ই আসে, বড়স্টেশন এলাকার কয়েকজন নেতা অধিকাংশ সময়ই অধিক টিকেট নিয়ে যায়।
এতে আমাদের করার নিছুই থাকে না,কারন যেহেতু ট্রেনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলাচল করছে। তাই সকল দায়িত্বই তাদের বলে তিনি তার নিজ তায়িত্ব এরিয়ে যান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital