ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমরা যারা মুজিব সৈনিক তারা ভুলিনি ১৫ আগস্টের খুনিদের কথা: ফয়সাল আজাদ রুবেল

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১৯ আগস্ট (শনিবার) সিডনির রকডেলের রেড-রোজ ফাংশন সেন্টারে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. সিরাজুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কচির সঞ্চালনায় ও সংগঠনটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাবিব হাসান টুলু পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদের প্রতি দোয়া পরিচালনা করেন। এরপর পবিত্র শ্রীমদ্ভগবৎ গীতা থেকে পাঠ ও ভাবানুবাদ করেন ড. অরবিন্দু সাহা।ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে অনুষ্ঠানের অতিথি-নেতৃবৃন্দ ১৫ আগস্ট তথা জাতীয় শোক দিবসের ওপর আলোচনা করেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই আলোচনা সভার প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম বলেন, ১৫ আগস্টের নরপিশাচেরা জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে দিয়েছিলো। এ জন্য ইনডেমনিটি অরডিনেন্স বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ পাশ করে। পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম হত্যাকাণ্ড বিরল, যা সারাবিশ্ববাসীকে কাঁদিয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃখের ও লজ্জার ঘটনা হচ্ছে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য বাঙালি জাতি কলঙ্কিত হয়েছে। এই কলঙ্ক কিছুটা হলেও ঘুচতে পারে যদি জাতির পিতার সকল হত্যাকারীর শাস্তি কার্যকর হয়। ইনশাল্লাহ অতিসত্তরই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদের শাস্তি কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আশা রাখি।
শোকসভার সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামমী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. সিরাজুল হক ১৫ আগস্টের সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেন করে বলেন, বাঙালি জাতি তার সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারিয়েছে আর আমরা হারিয়েছি আমাদের পিতাকে। নরপিশাচরা তাঁকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ এতদিন উন্নত দেশ হিসেবে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতো। যাহোক, সিডনিতে আমরা জাতির পিতার একটি আবক্ষ ভাষ্কর্য নিমার্ণ করতে পেরেছি, এজন্য সকল সহয়তাদানকারীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
জাতীয় শোক দিবসের এই আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ বলেন, ১৯৭৫ সালের পেত্মাতারা এখনও বাংলাদেশের জমিনে ঘুরে বেড়ায়, তারা এখনও পঁচাত্তরের মতো হিংস্র নখ নিয়ে দিশেহারা হয়ে আছে। এই শোকসভা শুধু শোকের জন্য না, সাহস যোগানের জন্যও বটে। আমরা যারা মুজিব সৈনিক আছি, তারা যেন ভুলে না যাই ১৫ আগস্টের খুনিদের কথা। আমি অনুরোধ করবো সকল সময় আওয়ামী নেতৃবৃন্দকে সজাগ থাকার জন্য।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের আলোচনায় বারবার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য দাবি উত্থাপিত হয় এবং বর্তমান সময়ে বিএনপি-জামায়াতের সহিংস কর্মকাণ্ডের সমালোচনা হয়। এছাড়া সকল বক্তা বাংলাদেশে নির্মিত পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
শোকসভার বিশেষ অতিথি বঙ্গবন্ধু পরিষদ সিডনির সভাপতি ড. মাসুদুল হক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা ও কলামিস্ট ড. রতন কুণ্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুণ ও অধ্যাপক ড. দাউদ হাসান অনুষ্ঠানে তাদের বক্তৃতায় জাতীয় শোক দিবসের ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রাখেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের প্রধান দিদার হোসেন, আব্দুস শাকুর, আবুল বাশার রিপন, সহ-সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান রানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেলবোর্নের সভাপতি ড. মোল্লা হক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন লাল্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান মেন্থন ও ইমরান হোসেন, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন স্বপন, কৃষিবিদ ড. সাদেক খান, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সিডনির সভাপতি ডা. ইকরাম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহমান বেলাল, বাসভূমির কর্ণধার ও সাংবাদিক আকিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মিকু চৌধুরী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফাহাদ আজগর ও অর্ক হাসান।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পারভীন খায়ের, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার আহ্বায়ক বিলকিস জাহান, সহ-সভাপতি মৌসুমী সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুমি আজাদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নীলুফা ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন সুহৃদ সোহান হক, অনুষ্ঠানের সমন্বয় করেছেন মোসলেউর রহমান খুশবু এবং সার্বিক তত্ত্ববধানে ছিলেন দিদার হোসেন, এইচ এম লাবু ও শহিদুল ইসলাম।
শোকসভার সকল বক্তার আলোচনা শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

আমরা যারা মুজিব সৈনিক তারা ভুলিনি ১৫ আগস্টের খুনিদের কথা: ফয়সাল আজাদ রুবেল

আপডেট সময় : ০৭:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১৯ আগস্ট (শনিবার) সিডনির রকডেলের রেড-রোজ ফাংশন সেন্টারে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. সিরাজুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কচির সঞ্চালনায় ও সংগঠনটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাবিব হাসান টুলু পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদের প্রতি দোয়া পরিচালনা করেন। এরপর পবিত্র শ্রীমদ্ভগবৎ গীতা থেকে পাঠ ও ভাবানুবাদ করেন ড. অরবিন্দু সাহা।ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে অনুষ্ঠানের অতিথি-নেতৃবৃন্দ ১৫ আগস্ট তথা জাতীয় শোক দিবসের ওপর আলোচনা করেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই আলোচনা সভার প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম বলেন, ১৫ আগস্টের নরপিশাচেরা জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে দিয়েছিলো। এ জন্য ইনডেমনিটি অরডিনেন্স বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ পাশ করে। পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম হত্যাকাণ্ড বিরল, যা সারাবিশ্ববাসীকে কাঁদিয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃখের ও লজ্জার ঘটনা হচ্ছে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য বাঙালি জাতি কলঙ্কিত হয়েছে। এই কলঙ্ক কিছুটা হলেও ঘুচতে পারে যদি জাতির পিতার সকল হত্যাকারীর শাস্তি কার্যকর হয়। ইনশাল্লাহ অতিসত্তরই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তাদের শাস্তি কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আশা রাখি।
শোকসভার সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামমী লীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. সিরাজুল হক ১৫ আগস্টের সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেন করে বলেন, বাঙালি জাতি তার সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারিয়েছে আর আমরা হারিয়েছি আমাদের পিতাকে। নরপিশাচরা তাঁকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ এতদিন উন্নত দেশ হিসেবে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতো। যাহোক, সিডনিতে আমরা জাতির পিতার একটি আবক্ষ ভাষ্কর্য নিমার্ণ করতে পেরেছি, এজন্য সকল সহয়তাদানকারীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
জাতীয় শোক দিবসের এই আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ বলেন, ১৯৭৫ সালের পেত্মাতারা এখনও বাংলাদেশের জমিনে ঘুরে বেড়ায়, তারা এখনও পঁচাত্তরের মতো হিংস্র নখ নিয়ে দিশেহারা হয়ে আছে। এই শোকসভা শুধু শোকের জন্য না, সাহস যোগানের জন্যও বটে। আমরা যারা মুজিব সৈনিক আছি, তারা যেন ভুলে না যাই ১৫ আগস্টের খুনিদের কথা। আমি অনুরোধ করবো সকল সময় আওয়ামী নেতৃবৃন্দকে সজাগ থাকার জন্য।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের আলোচনায় বারবার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য দাবি উত্থাপিত হয় এবং বর্তমান সময়ে বিএনপি-জামায়াতের সহিংস কর্মকাণ্ডের সমালোচনা হয়। এছাড়া সকল বক্তা বাংলাদেশে নির্মিত পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
শোকসভার বিশেষ অতিথি বঙ্গবন্ধু পরিষদ সিডনির সভাপতি ড. মাসুদুল হক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা ও কলামিস্ট ড. রতন কুণ্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুণ ও অধ্যাপক ড. দাউদ হাসান অনুষ্ঠানে তাদের বক্তৃতায় জাতীয় শোক দিবসের ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রাখেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের প্রধান দিদার হোসেন, আব্দুস শাকুর, আবুল বাশার রিপন, সহ-সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান রানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেলবোর্নের সভাপতি ড. মোল্লা হক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিডনির সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন লাল্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান মেন্থন ও ইমরান হোসেন, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন স্বপন, কৃষিবিদ ড. সাদেক খান, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সিডনির সভাপতি ডা. ইকরাম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহমান বেলাল, বাসভূমির কর্ণধার ও সাংবাদিক আকিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মিকু চৌধুরী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফাহাদ আজগর ও অর্ক হাসান।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পারভীন খায়ের, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়ার আহ্বায়ক বিলকিস জাহান, সহ-সভাপতি মৌসুমী সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুমি আজাদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নীলুফা ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন সুহৃদ সোহান হক, অনুষ্ঠানের সমন্বয় করেছেন মোসলেউর রহমান খুশবু এবং সার্বিক তত্ত্ববধানে ছিলেন দিদার হোসেন, এইচ এম লাবু ও শহিদুল ইসলাম।
শোকসভার সকল বক্তার আলোচনা শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।