বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ৪ গ্রামে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৭:৩৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে ৪ গ্রামে চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন রূপসা উত্তর ইউনিয়নের পশ্চিম রূপসা, রামদাসেরবাগ , আনন্দ বাজার থেকে ফরিদগঞ্জে ও রূপসা যাওয়ার প্রায় ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।

এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার সহস্রাধিক লোকজনকে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি হয়ে উঠে কাদাপূর্ণ। দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রূপসা থেকে খন্দকারদের ব্রীজের উপর দিয়ে রামদাসেরবাগ শাহাপুর হয়ে উপজেলার উত্তরাঞ্চলের চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি। একটু বৃষ্টিতে কাদাযুক্ত ও পিচ্ছিল কাঁচা রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত থাকায় খালি পায়ে পথ চলতে হচ্ছে পথচারীদের। এছাড়া জরুরী কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, ভ্যানগাড়ী প্রায়ই খানাখন্দে আটকা পড়তে দেখা যায়।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ও উপজেলা সদরসহ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজারে যোগাযোগ ক্ষেত্রে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা হচ্ছে এই কাঁচা রাস্তাটি। মাত্র ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকাকরণ না করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামবাসী।

Model Hospital

এ রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচল কারী শাহাপুর চৌধুরী গাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও শোল্লা আশেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটিতে কাদা হয়ে যায় তখন আমরা মোটর সাইকেলতো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও এ ২ কিলোমিটার পথ হেটে যেতে হয়।

ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ’র শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ (১৭), রাকিব হোসেন (১৭) ও উম্মে হাবিবা (১৮) বলেন, আমরা এ রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াতের জন্য অনেক সময় ক্লাসে দেরি হয়। রাস্তাটি পাকাকরন করে দিলে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।

রামদাসেরবাগ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের মাদ্রাসার প্রায় ৩ শত শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় আসার একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তাটি কাঁচা হওয়াতে অল্পবৃষ্টিতে মারাত্মক ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে যায়। রাস্তাটি পাকাকরণ হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হবে। একই কথা জানিয়েছেন, শাহাপুর চৌধুরী গাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও.আবু তাহের।

রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কাউসারুল আলম কামরুল এ রাস্তাটি দিয়ে চলচল কারীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি অনেকবার এ রাস্তাটির বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে জানিয়েছি।

উপজেলা প্রকৌশলী আবরার আহমেদ বলেন, রাস্তাটির আইডি আমার জানা নেই। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।