বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যানের দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ! এলাকাবাসীর মানববন্ধন

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৩, ১০:২৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যানের দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ! এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজান মাষ্টারের বিরোদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদে না আশা এবং তথ্য সেবা কেন্দ্রে নিয়ম বহির্ভূত নিজস্ব লোক দিয়ে বিধাব ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিজিডি চাল, বিজিএফ চালসহ সকল প্রকার নাগরীক সেবায় অনিয়মের কথা তুলে ধরে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

১৭ আক্টোবর মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারস্থ চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সামনে শত শত নারী পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ওই ইউনিয়নের নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত বিল্লাল মিজি, বিলকিস বেগম, রহমতের নেছা, জামাল হোসেন, আলমগীর, সিরাজ মিয়া গাজী, প্রতিবন্ধী বেবী, ফাতেমা বেগম প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, গত ৮ অক্টোবর চেয়ারম্যান শাহজাহান মাষ্টার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সচিব ইমাম হাসানকে মারধর করে। এনিয়ে সচিব পরিষদে আসছে না। চেয়ারম্যান ও সচিবের কক্ষ তালাবদ্ধ থাকায় আমরা আমাদের কাঙ্খীত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দুর দূরান্ত থেকে ইউনিয়নবাসী ও ফিরে যাচ্ছে। এবং চেয়ারম্যান তার ভাগিনা ও আত্মীয়সজন দিয়ে সেবা নিতে আসা লোকদের সাথে প্রতিনিয়ত খারপ আচরন করছে। তার লোকজন বিধবা ভাতা নিতে আসা বিধবা মহিলার কাছ থেকে ৫-১০ হাজার টাকা দাবী করছে। সরকারের নির্ধারিত জন্ম নিবন্ধনের ফ্রি থেকে কয়েকগুন বেশি নিচ্ছে। অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, জন্ম নিবন্ধনসহ সকল দরনের ভাতার কার্ড দিচ্ছে।

Model Hospital

তারা আরো বলেন, এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার ভাগিনা এমরান হোসেন মিশু নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে।

এক বিধবা বলেন, আমি ২১ বছর দরে বিধবা। আমি বিধবা কার্ড করতে গেলে চেয়ারম্যানের লোকজন আমির কাছে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে কার্ড করে দেয়নি।

স্থানীয় লোকজন জানান, সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের জন্য পরিষদে গেলে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে তারা জন্ম নিবন্ধন দেয় না।

উল্লেখ্য, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১২ নং চরদুঃখিয়া (পঃ) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের অনিয়মের বাঁধা এবং রাজস্ব খাতের বকেয়া টাকা রাষ্ট্রীয় খাতে জমা দেয়ার কথা বলায় সচিব ইমাম হাসানকে পরিষদে প্রথমে গালমন্দ করে পরে চড় থাপ্পড় দেন চেয়াম্যান। এর পর থেকে তাদের দ্বন্দ্বে ইউনিয়নবাসী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।