বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ট্রাক প্রতিকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শফিকুল আলম ফিরোজের দিনভর পথসভা ও গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৮:০৪ পিএম
শাহরাস্তিতে ট্রাক প্রতিকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শফিকুল আলম ফিরোজের দিনভর পথসভা ও গণসংযোগ

শাহরাস্তিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (শাহরাস্তি- হাজীগঞ্জ)  চাঁদপুর ২৬৪- ৫ নির্বাচনী এলাকায় ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুল আলম ফিরোজ দিনভর নির্বাচনী পথসভা ও ব্যাপক গণসংযোগ  করছেন ।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সূচীপাড়া, আয়নাতলী বাজার ও উঘারিয়া বাজারে তিনি কর্মী সমর্থক ভোটারদের নিকট স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীক নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেন।

প্রতিটি গণসংযোগে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের নিকট তার নির্বাচনী ইশতেহার এবং আগামী দিনে একটি উন্নত সমৃদ্ধ শাহরাস্তি বিনির্মাণে অঙ্গীকার করেন।

উপস্থিত জনগণের সঙ্গে কৌশল বিনিময় করে তাদের খোঁজ-খবর নেন।ট্রাক প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

Model Hospital

একই দিন বিকাল সাড়ে ৩ টায় তিনি চিতোষী পূর্ব ইউপির শাহ শরীফ মাজার জিয়ারত করে চিতোষী বাজারে একটি পথসভায় মিলিত হন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হাজিগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার ট্রাক প্রতিকের (স্বতন্ত্র) প্রার্থী শফিকুল আলম ফিরোজ।

তিনি বক্তব্য বলেন, আপনাদের বিগত দিনের দুঃখ-কষ্ট দুর্দশার কথা শুনে আমি ট্রাক  প্রতীকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। আল্লাহ পাক আমাকে অনেক দিয়েছে। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আমি এসেছি শাহরাস্তির হাজীগঞ্জের অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন সম্পূর্ণ করতে। যদি আপনারা আমাকে সে সুযোগ করে দেন তাহলে আমি আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে সেই কাজগুলো করতে চাই।

এছাড়া তিনি সাধারণ কর্মী সমর্থক মানুষদেরকে অভয় দিয়ে বলেন আমাকে রাত বিরাত ফোন করে দেখা করে কষ্টের কথা জানাতে পারবেন।সেজন্য কোন মাধ্যম ধরতে হবে না।

পরিশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

এ সময় পথসভায় উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু, সাবেক পৌর আওয়ামিলীগ আহবায়ক মোঃ রেজাউল করিম মিন্টু,   উপজেলা আওয়ামীলীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক  জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল, চৌধুরী মোস্তফা কামাল, উপজেলা আ’লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সফিউল আজম স্বপন, টামটা উত্তর ইউপির আ’লীগ নেতা আলমগীর কবির পলাশ, উপজেলা আ’লীগের সাবেক  সহ-সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সাধু, সাবেক ছাত্রনেতা হুমায়ুন কবির হিরো, মহসিন পাটোয়ারী, এফ কাদের বাবু, এমরান হোসেন,  মনিরুজ্জামান শান্ত, সুমন বর্ধন, সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রকি, পিযুশ দাস, ইকবাল হোসেন,  আলমগীর হায়দার, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন  প্রমুখ।

সভায় চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।