শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন

সভাপতি গাজী সালাহউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯:২৮ পিএম
সভাপতি গাজী সালাহউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের দুই বছর মেয়াদী (২০২৪ ও ২০২৫ইং) নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি সাংবাদিক ও চারুশিল্পী গাজী সালাহউদ্দিন ও ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের চাঁদপুর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান বাবলুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
রোববার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ বাজারের একটি হোটেলে এই কমিটি ঘোষণা করেন সাত সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব সাবেক সভাপতি সাবিহা সুলতানা।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী কবির,নীহার রঞ্জন হালদার মিলন    সহ-সভাপতি সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, হাবিবুর রহমান পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামাল হোসাইন চৌধুরী, গাজী মো. নাছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম মিরাজ মুন্সী, অর্থ সম্পাদক খাজা সাফিউল বাসার রুজমন, দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম খান রনি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নন্দিতা দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিলি সাহা, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক শরীফ উল্ল্যাহ, প্রচার সম্পাদক আরিফ হোসেন, নাট্য সম্পাদক তাছমিন হায়দার, সংগীত ও নৃত্য বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন বিনতে এরশাদ নীলা।
এছাড়া নতুন কমিটির কার্যকরী সদস্য পদে রয়েছেন এ কে জেড শিমুল, ফাহিমা আক্তার, এমরান হোসেন সুমন, খালেকুজ্জামান শামীম, মহিউদ্দিন আল আজাদ ও আলমগীর হোসেন।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে হাজীগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চুন্নু। প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাজীগঞ্জ উপজেলায় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে জাগ্রত করতে বৈশাখী মেলা, একুশে বই মেলাসহ বিভিন্ন কবি ও লেখকদের স্মরণসভার আয়োজন করে আসছে সংগঠনটি।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।