বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের রামপুরে

সেচ প্রকল্পের বাঁধ ভেঙ্গে হুমকিতে সাড়ে ৩ হাজার একর কৃষি জমির বোরো আবাদ

মো. মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪, ১০:০০ পিএম
সেচ প্রকল্পের বাঁধ ভেঙ্গে হুমকিতে সাড়ে ৩ হাজার একর কৃষি জমির বোরো আবাদ
ডাকাতিয়া নদীতে কমে যাচ্ছে পানি, তার ওপর পাম্প হাউজের বাঁধ ভেঙ্গে পানি পূণরায় চলে গেছে নদীতে।
এ কারনে সহসাই চালু হচ্ছে না চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙা সেচ প্রকল্প। হুমকির মুখে পড়েছে ঐ এলাকার বোরো আবাদ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতের যেকোন সময় উক্ত সেচ প্রকল্পের দেয়া বাঁধে সুড়ঙ্গ হয়ে পানি বের হয়ে নদীতে চলে যায়। মঙ্গলবার ভোররাতে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান কামরাঙা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন জাকির পাটওয়ারী।
জানা যায়, এ সেচ প্রকল্পের আওতায় উক্ত এলাকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর কৃষি জমিতে চলছে বোরো আবাদ। বোরো চাষকৃত এসব জমিগুলো এখন শুকনো হয়ে আছে। এর কয়েকদিন আগেও উক্ত বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিলে তা সংস্কার করা হয়। তাই গত কয়েকদিন সেচ কাজে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় জমিগুলো এখন পানি শূন্য।
এমতাবস্থায় বোরো চাষ নিয়ে চিন্তিত এক হাজারের বেশি কৃষক। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সেচ প্রকল্পের বাঁধ মেরামত করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এখানকার কৃষকরা।
উক্ত সেচ প্রকল্পের সদস্য ও রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাকিবুল হাসান খান বলেন, গত মাঘ মাসে আমরা এই স্কিমটি চালু করেছি। বোরো আবাদের মাঝ দিকে এসে স্কিমের বাঁধ ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে আমাদের। তাই উক্ত ক্ষতি থেকে কৃষক ও স্কিম কর্তৃপক্ষকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সহ চাঁদপুর সদর ইউএনও এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে কমরাঙা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন জাকির পাটওয়ারী বলেন, রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙা, মহেশপুর, দেবপুর, বড় সুন্দর, পাঁচ বাড়িয়া এলাকার কৃষি জমিগুলো এই স্কিমের আওতায়। গত কয়েকদিন আগেও স্কিমের যে বাঁধ ছিল সেটি ভেঙ্গে গেলে ২-৩ দিন ধরে মেরামত করেছি। মঙ্গলবার ভোররাতে আবারও সুড়ঙ্গ হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উক্ত এলাকার কৃষি জমিগুলো এই স্কিমের উপর নির্ভর করে। তাই উক্ত এলাকার কৃষকদের কথা চিন্তা করে সু দৃষ্টি দেয়ার জন্য চাঁদপুর বিএডিসি সহ চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
চাঁদপুর জেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী ইমরুল কায়েস মির্জা কিরণ বলেন, বিষয়টি জেনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি।
উক্ত এলাকার কৃষি জমিগুলোতে পানি সরবরাহ করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital