বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাইক ভাংচুর, পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:৫৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাইক ভাংচুর, পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে

ছবির বাম থেকে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা পূর্ব ইউপির নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম হাসান তাবাচ্ছুম ও আনারস প্রতীকে বিদ্রোহী প্রার্থী হারুনুর রশিদ পথসভায় বক্তব্য রাখছেন। পাশে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ নির্বাচনী প্রচারনার মাইক, জেনারেটরসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২ নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারনায় বুধবার ছিল উত্তপ্ত ও ভীতিকর পরিস্থিতি। পুরো দিন ছিল পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সতর্ক পাহারা। এই পরিস্থিতিতে আ’লীগের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর আনারসের শো-ডাউনে ছিল বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন সরব। পুলিশী সতর্কতার পরেও দুবৃর্ত্তরা আনারস প্রতীকের গাড়ী, সাউন্ড বক্স এবং মাইক ভাংচুর করেছে এবং একটি জেনারেটরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।
আ’লীগে বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকের প্রার্থী হারুনুর রশীদের পূর্ব নির্ধারিত শো-ডাউন ছিল। দুপুরের পরে ওই ইউনিয়নের দেইচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার সমর্থকরা পিকআপ গাড়িতে সাউন্ড বক্স বসিয়ে মিছিলের প্রস্ততি নিলে সেখানে একদল অজ্ঞাত দূর্বৃত্ত হানা দিয়ে তাদের প্রস্তুতি ভন্ডুলসহ গাড়ী ও সাউন্ড বক্স ভাংচুর করে। এই সময় তারা একটি জেনারেটর পুড়িয়ে দেয়। পরে বিকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশীদ তার সমর্থকদের নিয়ে পাটওয়ারী বাজার ও বালিথুবায় শো-ডাউন  করে। এর কিছুক্ষন পর আ’লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জিএম হাসান তাবাচ্ছুম তার সমর্থকদের নিয়ে বালিথুবা বাজারে শো-ডাউন করে।
বালিথুবা বাজারে নৌকা সমর্থিত প্রার্থী জিএম হাসান তাবাচ্ছুম পরে এক পথ সভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন ও বালিথুবা ইউনিয়নের উন্নয়ণের জন্য নৌকা প্রতীকের বিজয়ের বিকল্প নেই। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি আপনি সত্যিকারি অর্থে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসেন ও আ’লীগ করেন, তাহলে নৌকা বিরোধী পথ ছেড়ে আমাদের কাতারে আসেন। বহিরাগতদের নিয়ে ভোট করতে বালিথুবায় আসবেন না।
অপরদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী আনারস প্রতীকের হারুন অর রশীদ, তার শো-ডাউন শেষে বালিথুবা বাজারে এক পথ সভায় বলেন, তৃণমূলের নির্বাচনে জনগন তাদের কল্যাণে ভালো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। অতীতে যে জনগণের উন্নয়ণে কাজ করেছে, আমার বিশ্বাস সাধারন ভোটাররা তাকেই ভোট দিবেন। সে বিশ্বাস থেকেই আমি আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। আমি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করছি আমাদেরকে নির্বাচনী কাজ করার সুষ্ঠ পথ তৈরি করে দেন এবং জনগণকে নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেন।
তিনি বলেন, আমি এবং আমার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রতিনিয়ত কয়েকটি মাইক্রোবাস নিয়ে বেশ কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করছে। ভোটার এবং কর্মীদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, পোষ্টার ছেড়া থেকে শুরু করে মাইক ভাংচুর এবং কর্মীদের মারধর করছে। এসব বিষয়ে পুলিশি হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।