বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া সাচার কালি মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৫৭ পিএম
কচুয়া সাচার কালি মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরি

সাচার কালি মন্দিরের গ্রিল কাটা ও দরজা লক খোলার দৃশ্য।

মো. রাছেল : কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাচার জগন্নাথ ধাম সংলগ্ন শ্রী শ্রী রক্ষা কালি মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার রাতে ওই মন্দিরে অজ্ঞাত চোরের দল মূল মন্দিরের গ্রিল কেটে ভিতরে পবেশ করে মন্দিরে কালি মুক্তির মাথা বিগ্রহে থাকা ৩ ভরি স্বর্ন ও ২৪ ভরি রুপা লুটে নিয়ে যায়। মন্দিরের সংলগ্ন পাশের ঘরে দুইজন পুরোহিত ঘুমিয়েছেন। পুরোহিতগন বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে তাদের দরজা বাহির থেকে বন্ধ দেখে লোকজন ডেকে এনে দরজা খুলে দেখেন মন্দিরের গ্রিল কাটা এবং দেবী মায়ের পরিহীত স্বর্নালঙ্কার নেই।

মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দীপক চক্রবর্তী বলেন, বুধবার রাতে আমি মন্দিরে ছিলাম না। মন্দিরের পাশের ঘরে আমার বাবা শান্তি চক্রবর্তী, ভাই ধনঞ্জয় চক্রবর্তী ও ছেলে রূপক চক্রবর্তী ছিল। সকালে দরজা খুলতে গিয়ে বাহির থেকে লক থাকায় অন্যলোক ডাক দিয়ে দরজা খুলে মন্দিরে ভিতরের চুরির দৃশ্য দেখতে পাই।

ধনঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ঘুম থেকে উঠে বাহির দিয়ে দরজা বন্ধ থাকায় পশ্চিম দিকে অনিল সেনকে দেখতে পেয়ে তাকে ডাক দিয়ে চাবি দেই। এসময় তিনি আমাদের দরজা খুলে দেন এবং চুরির দৃশ্য দেখতে পেয়ে সবাইকে অবগত করি। জগন্নাথ ধাম মন্দির কমিটির সভাপতি বটু কৃষ্ণ বসু বলেন, সকালে চুরির ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষযে কচুয়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। চুরির বিষয়টি খুবই দু:খজনক।

Model Hospital

এ ঘটনায় খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ণ দাস শুভ ও ওসি মহিউদ্দিন, পিবিআই,সিআইডি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বলেন, অচিরেই চুরির রহস্য উদঘাটন করা হবে এবং চোরদের ধরা হবে। তিনি মন্দিরের সিসি ক্যামেরা নষ্ট থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।