বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে রস বিলাসের খালি বক্সের ওজন ১০০ গ্রাম, কেজি প্রতি ৯০০ গ্রাম পাচ্ছে ভোক্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪, ৭:২৮ পিএম
চাঁদপুরে রস বিলাসের খালি বক্সের ওজন ১০০ গ্রাম, কেজি প্রতি ৯০০ গ্রাম পাচ্ছে ভোক্তা

আমাদের পরিচিত খাবারের মধ্যে মিষ্টি অতি জনপ্রিয় একটি খাবার। আদর-আপ্যায়ন সহ যে কোন অনুষ্ঠানে মিষ্টি ছাড়া চলেই না। যে কোন নিমন্ত্রণে অংশ নিতে চাইলে মানুষ প্রথমে যায় মিষ্টির দোকানে, অতঃপর মিষ্টি কিনে যায় নিমন্ত্রিত অনুষ্ঠানে।

এমনকি যে কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও মিষ্টির বিকল্প যেন কিছু নেই। কিন্তু প্যাকেটের বাড়তি ওজনের কারণে প্রতিদিনই কেনাকাটায় ঠকছেন ক্রেতারা। ভারী প্যাকেটের নিচে চাপা পড়ে যায় মিষ্টি জাতীয় খাবারের আসল ওজন। একই ঘটনা ঘটে মিষ্টি, দইসহ এসব পণ্যে। চাঁদপুর শহর, হাইমচর, ফরিদগঞ্জে সহ রস বিলাসের ৭ টি শাখা রয়েছে। প্রতিদিন এই সকল শাখা গুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি ও মিষ্টি জাতীয় পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

এই সুযোগে রস বিলাস সহ শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান অধিক মুনাফার লক্ষ্যে ভারী বক্স ব্যবহার করে। সরজমিনে দেখা যায় এক একটি বক্সের ওজন ১০০ গ্রাম করে। বক্সের অতিরিক্ত ১০০ গ্রাম ওজনের কারনে ১ কেজির পরিবর্তে ৯০০ গ্রাম করে মিষ্টি পাচ্ছে ভোক্তাগন। অনেক সময় এর প্যাকেটগুলো দেখলে ভোক্তাদের শরীর জ্বলে। কিন্তু অসহায় হয়ে পাথরের মতো ওজনের মিষ্টি প্যাকেট মিষ্টির সমমূল্য দিয়েই কিনতে হয়! ভোক্তাগন অসহায় হয়ে মান সম্মানের ভয়ে তর্কে না জড়িয়ে তা মেনে নেয়।

২০ এপ্রিল শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের বাস স্ট্যান্ড স্বর্ণখোলা  অবস্থিত রস বিলাসের কারখানায় গেলে ম্যানেজার মোঃ আব্দুল করিম বলেন কারখানার ভিতরে প্রবেশ নিষেধ। এই সময় অফিস কক্ষে গিয়ে ম্যানেজার মোঃ আব্দুল করিম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন রস বিলাসের ৭ টি শাখা।

Model Hospital

রস বিলাসের শাখা গুলোতে ২৭০ টাকা দরে করে মিষ্টি, ৩০০ টাকা লাডু, মতিলাডু ৩২০ টাকা, ছানা মিষ্টি ৪৫০ টাকা, কাঁচা গোল্লা ৬০০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। ১০০ গ্রাম প্যাকেটের ওজনের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন অন্যান্য দোকানদার বানায় তাই আমরা বানাই। ১০০ গ্রাম ওজনের শুধু প্যাকেটের মূল্য গিয়ে দাড়ায় ২৭, ৩০, ৩২, ৪৫ ও ৬০ টাকা পর্যন্ত। শুধু প্রতি কেজি মিষ্টি থেকে শুধু প্যাকেট থেকে লাভ হচ্ছে এই টাকা। তাহলে মাসে বছরে কত লক্ষ লক্ষ টাকা ভোক্তাদের ঠকিয়ে মালিক পক্ষ লাভবান হচ্ছে জানতে চাইলে এর সঠিক উত্তর দিতে পারেনি ম্যানাজার।

রস বিলাসের মালিক মোঃ আতিকুর রহমান এই বিষয়ে বলেন অন্যান্য মিষ্টি দোকান এই রকম প্যাকেট বানাছে তাই আমরা বানাই। ১০০ গ্রামের ভারি প্যাকেট কতটুকু বৈধ তা জানতে চাইলে তিনি বলেন বৈধতা আপনারা খোঁজে দেখেন।

চাঁদপুর ভোক্তা অধিদপ্তরের সহাকারী পরিচালক নূর হোসেন রুবেল বলেন ভোক্তাগন যে ওজনে ১০০ গ্রাম কম পাচ্ছে এটা ঐ ভাবে তাদের নজরে আসে না। ওজনে কারচুপি করলে আমরা তাদেকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

আমরা চাই ভোক্তাগন যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আমরা খুব শীঘ্রই এদের বিরুদ্ধে  অভিযানে যাবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital