শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাস ধরতে ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ সড়কই

চাঁদপুরে ৬০ সেকেন্ডে যাত্রী ছাউনি হয়ে গেলো দোকানঘর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম
চাঁদপুরে ৬০ সেকেন্ডে যাত্রী ছাউনি হয়ে গেলো দোকানঘর

যে যাত্রীদের বসার জন্যে তৈরি করা হয়েছে যাত্রী ছাউনি সেই যাত্রীদের বসার স্থানটুকুই সার্টার লাগিয়ে হয়ে গেলো দোকানঘর। দিনে দুপুরে এহেন কাণ্ডে স্থানীয়দের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

হাজীগঞ্জের বাকিলা পশ্চিম বাজারে নতুন যাত্রী ছাউনির এমন পরিবর্তন গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা যায়। তবে কে বা কারা এটা করেছে তা স্বীকার করেননি সার্টার লাগানো মিস্ত্রি নজরুল ইসলাম।

সরজমিনে দেখা যায, হাজীগঞ্জের বাকিলা পশ্চিম বাজারে দুটি যাত্রী ছাউনি রয়েছে। এর মধ্যে পুরানো ছাউনির দুই রুমের একটি রুমে দোকান (চলমান), অপর রুমটি যাত্রী ছাউনি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। পুরানোটির পশ্চিমে গেলো বছরে নতুন করা ৫ রুমের ৪টিতে চলমান দোকানঘর, মাঝের একটি রুমকে যাত্রী ছাউনি করা আছে। এমনকি যাত্রীদের বিশ্রামের জন্যে তিন দিকে পাকা করে তাতে টাইলস বসানো রয়েছে। এ রুমটির ফ্লোর টাইলস্ করাসহ পিছনে একটি বড় গ্রিলের জানালা রয়েছে। রুমটির সামনে সার্টার বক্সের উপরে বড় করে যাত্রী ছাউনি লিখা রয়েছে।

অবশ্য লিখাটিতে শ্যাওলা পড়েছে কিছুটা। এই যাত্রী ছাউনির রুমটির সামনে গত শুক্রবার দুই পার্টের সার্টারসহ সার্টার বক্স লাগিয়ে দোকান ঘর তৈরি করে তাতে তালা মেরে রাখা হয়েছে। দুটো যাত্রী ছাউনির জমি সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের আর ছাউনিগুলোর নির্মাণকারী ও অর্থায়নকারী জেলা পরিষদ চাঁদপুর।

Model Hospital

যাত্রী ছাউনির ভাড়াটিয়া স্বর্ণকার দীপক, বিকাশ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন কালু ও স্যালুন ব্যবসায়ী কার্তিক শীল জানান, যে মিস্ত্রী কাজ করেছে তার কাছে অনেকে জানতে চেয়েছে কে বা কারা কাজ করছে কিন্তু মিস্ত্রী নজরুল কোনো উত্তর দেননি।

‘যাত্রীদের জন্যে নির্মিত যাত্রী ছাউনি দিনের বেলা হয়ে গেলো দোকানঘর। এটা কিভাবে সম্ভব বা কোন্ নিয়মে হয়েছে?’ এমন বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় জেলা পরিষদ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা সদস্য আলহাজ্ব বিল্লাল হোসেনের সাথে। এ সময় তিনি জানান, বাকিলার যাত্রী ছাউনিতে সার্টার লাগানো হয়েছে এমন বিষয়টির সত্যতা জানতে শুক্রবার বিকেলে আমি বাকিলা যাই। গিয়ে এর সত্যতা পাই, তবে এটি কে বা কারা করেছে তা খবর নিচ্ছি।

এ বিষয়ে সওজ চাঁদপুরের এসএই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এমন কিছু হলে আমরা আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবো।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, যাত্রী ছাউনিতে দোকান করার কোনো সুযোগ নেই। সম্প্রতি আমরা যাত্রী ছাউনিগুলো মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। কেউ যাত্রী ছাউনি দখলে নিলে তা ভেঙ্গে আমরা মেরামতের কাজ করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital