ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ দোকান পুড়ে ভস্মীভূত, ক্ষতি প্রায় কোটি টাকা

শাহরাস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোররাত শাহরাস্তি পৌর শহরের ঠাকুর বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ দুঃখজনক ঘটনায় স্থানীয় সাংসদ মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, তারা যেন দ্রুতই এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে সেজন্য ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরে ওইদিন দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাত পুড়ে যাওয়া দোকান ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় সাংসদের বরাত দিয়ে  প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনুরূপ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানি এবং ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই বাজারের কোন একটি দোকান থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা খাবার হোটেলের চুলা থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে ওই আগুনের লেলিহান শিখা বাজারের ১৪ টি দোকানে ছড়িয়ে ভস্মীভূত হয়।
দোকান গুলো হল, আলী হোসেনের শাহরাস্তি কুঠির শিল্প, আক্তার হামীদের মসলার দোকান, ইসমাইল হোসেনের বিসমিল্লাহ আলুর স্টোর, সিরাজুল হকের হাছানের আলুর স্টোর, বাচ্চু মিয়ার কাঁচা মালের আড়ৎ, মোবারক হোসেনের কাঁচা মালের আড়ৎ,পরেশ সাহার মুদি দোকান, অনিল সাহার খাবার হোটেল, দেলোয়ার হোসেনের বিসমিল্লাহ সূতার ঘর, আঃ রউফের লন্ড্রী, জামাল হোসেনের  কাঁচা মালের আড়ৎ, নুরুল ইসলামের মুদি মালের গোডাউন, রবিউল হোসেনের কাঁচা মালের গোডাউন, কামরুল হোসেনের কাঁচা মালের দোকান আগুনে ভস্মীভূত হয়।
ওই সংবাদ চারদিকে দিকে চাউর হতেই শাহরাস্তি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল ফায়ারম্যান ও স্থানীয়দের চেষ্টায়  আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিস লিডার মাহফুজুর রহমান  জানান, ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বাজারের অন্তত ৫ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা করা গেছে।
এছাড়া দোকানিরা তাদের ক্ষতি প্রসঙ্গে বলেন, অন্তত তাদের কোটি টাকার অবকাঠামোসহ মালামাল বাবদ ক্ষতি সাধন হয়।
এছাড়া দুর্ঘটনার স্থল পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন, বাজার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজির হোসেন পাটোয়ারী, গণমাধ্যম কর্মীরা পরিদর্শন করেন।
ট্যাগস :

শাহরাস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ দোকান পুড়ে ভস্মীভূত, ক্ষতি প্রায় কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
শাহরাস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোররাত শাহরাস্তি পৌর শহরের ঠাকুর বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ দুঃখজনক ঘটনায় স্থানীয় সাংসদ মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, তারা যেন দ্রুতই এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে সেজন্য ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরে ওইদিন দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাত পুড়ে যাওয়া দোকান ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় সাংসদের বরাত দিয়ে  প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনুরূপ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানি এবং ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই বাজারের কোন একটি দোকান থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা খাবার হোটেলের চুলা থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে ওই আগুনের লেলিহান শিখা বাজারের ১৪ টি দোকানে ছড়িয়ে ভস্মীভূত হয়।
দোকান গুলো হল, আলী হোসেনের শাহরাস্তি কুঠির শিল্প, আক্তার হামীদের মসলার দোকান, ইসমাইল হোসেনের বিসমিল্লাহ আলুর স্টোর, সিরাজুল হকের হাছানের আলুর স্টোর, বাচ্চু মিয়ার কাঁচা মালের আড়ৎ, মোবারক হোসেনের কাঁচা মালের আড়ৎ,পরেশ সাহার মুদি দোকান, অনিল সাহার খাবার হোটেল, দেলোয়ার হোসেনের বিসমিল্লাহ সূতার ঘর, আঃ রউফের লন্ড্রী, জামাল হোসেনের  কাঁচা মালের আড়ৎ, নুরুল ইসলামের মুদি মালের গোডাউন, রবিউল হোসেনের কাঁচা মালের গোডাউন, কামরুল হোসেনের কাঁচা মালের দোকান আগুনে ভস্মীভূত হয়।
ওই সংবাদ চারদিকে দিকে চাউর হতেই শাহরাস্তি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল ফায়ারম্যান ও স্থানীয়দের চেষ্টায়  আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিস লিডার মাহফুজুর রহমান  জানান, ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বাজারের অন্তত ৫ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা করা গেছে।
এছাড়া দোকানিরা তাদের ক্ষতি প্রসঙ্গে বলেন, অন্তত তাদের কোটি টাকার অবকাঠামোসহ মালামাল বাবদ ক্ষতি সাধন হয়।
এছাড়া দুর্ঘটনার স্থল পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন, বাজার কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজির হোসেন পাটোয়ারী, গণমাধ্যম কর্মীরা পরিদর্শন করেন।