বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কাদলা ফাযিল মাদ্রাসা ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ মাও. ইউসুফ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪, ৯:৪৩ পিএম
কচুয়ায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কাদলা ফাযিল মাদ্রাসা ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ মাও. ইউসুফ

কচুয়া উপজেলার ২০২৪ সালের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে মাদ্রাসা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কাদলা এসএস ফাযিল মাদ্রাসা ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ওই প্রতিষ্ঠানেরই অধ্যক্ষ মাও. গাজী ইউসুফ।

কাদলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার পরীক্ষার ফলাফল, গভনিং বডির দক্ষতা,শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম,অবকাঠামোগত সুবিধা,প্রশাসনিক ও আর্থিক শৃঙ্খলা,আইসিটি দক্ষতা, পাঠ দানের নিয়মানুবর্তিতা,শিক্ষার পরিবেশ,জাতীয় দিবস সমূহ উদযাপন প্রভৃতি বিবেচনায় উক্ত মাদ্রাসাটিকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) নির্বাচিত করাও শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুমুখী অবদান রাখার জন্য উপজেলা পর্যায়ে মাও. ইউসুফকে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (মাদ্রাসা) নির্বাচিত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের যাচাইবাচাই কমিটির সদস্য সচিব একাডেমিক সুপার ভাইজার মোহাম্মদ সোহেল রানা।

কাদলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও.ইউসুফ বলেন, আমি প্রথমে কৃতজ্ঞা জানাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহসান মুরাদ ও উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজারসহ মনোনয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টদেরকে। আমাকে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ও আমার প্রতিষ্ঠান কাদলা এসএস ফাযিল মাদ্রাসাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় আমি গর্ববোধ করছি।

Model Hospital

বিগত প্রায় ৩ বছরের বেশি সময় আমি মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছি। মাদ্রাসার এ সাফল্যের জন্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন, ছাত্র-ছাত্রীদের কঠোর অধ্যয়নে শিক্ষকদের একনিষ্ঠতা এবং সর্বোপরি অভিভাবকদের সচেতনতাই এই সাফল্যের একমাত্র মূলমন্ত্র।

তিনি আরো বলেন,আমার নিজ এলাকা উপজেলার মনপুরা ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় দাখিল,আলিম ও ফাযিল শেষ করে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছি।

আমার এলাকার বিদ্যাপিঠ মনপুরা ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় আমি দীর্ঘদিন অধ্যক্ষ হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’