বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে কথিত চিকিৎসকের সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ৮:১২ পিএম
ফরিদগঞ্জে কথিত চিকিৎসকের সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পেশাগত দায়িত্বপালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাতের আধাঁরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন মো. জাকির হোসেন (৪৫) নামে এক সাংবাদিক।
উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের কালির বাজারে শনিবার (২৫ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ওই সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুল করিম (৪০) নামে এককথিত চিকিৎসককে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেছেন হামলার শিকার সাংবাদিক। সহকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করেন।
হামলার শিকার সাংবাদিক জাকির হোসেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য, জাতীয় দৈনিক ঢাকার ডাক ও চাঁদপুর থেকে নিয়মিত প্রকাশিত দৈনিক চাঁদপুর সময় পত্রিকার ফরিদগঞ্জ উপজেলা সংবাদদাতা।
সরেমজিনে জানা যায়,  কালির বাজারে অভিযুক্ত আব্দুল করিম সেবা ফার্মেসী নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আড়ালে সরকারি বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করে নিজেকে ও তাঁর স্ত্রীকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগী দেখা, প্রতিসূতিদের ডেলিভারি ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হলে সম্প্রতি ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে  আব্দুল করিমকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়। তথ্য পেয়ে বিভিন্ন সাংবাদিকরা জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নিউজটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কথিত চিকিৎসক আব্দুল করিম শনিবার (২৫ মে) রাতে পূর্ব পরিকল্পা মোতাবেক সাংবাদিক জাকির হোসেনের পথ রোধ করে তাকে মারধর করে নগদ টাকা হাতঘড়িসহ পেশাগত কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা আহতবস্থায় আব্দুল করিমের কাছ থেকে সাংবাদিক জাকির হোসেনকে উদ্ধার করে।
হামলার শিকার সাংবাদিক জাকির হোসেন বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় পেশাগত দায়িত্বপালন শেষে বাড়িতে যাওয়ার পথে আমার মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে আব্দুল করিম আমার ওপর হামলা করে। এ সময় আমার নগদ টাকা হাতঘড়িসহ পেশাগত কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও কালির বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার সামনেই সাংবাদিক জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমি ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করি। একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক।
এদিকে ঘটনারপর থেকে অভিযুক্ত আব্দুল করিম পলাতক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে সহকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমকে মানিক পাঠান ও সাধারন সম্পাদক নূরুল ইসলাম ফরহাদসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।