বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গৃদকালিন্দিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠাদের নিয়ে বৈষম্যের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০২ পিএম
গৃদকালিন্দিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠাদের নিয়ে বৈষম্যের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার অন্যতম সোরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে গত দেড় দশক ধরে কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা সদস্যদের স্বীকৃতি না দেয়া, তাদের নামাঙ্কিত অনার বোর্ড ফেলে দেয়া, অনিয়ম দূর্নীতি পশ্রয় দেয়াসহ সকল বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও কলেজের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা কালিন সদস্য হিসেবে বর্তমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো: হারুনুর রশিদ ভুমিকা রাখেন । এসময় তিনি নিজের ব্যক্তিগত ৮৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বিশালাকার কলেজের দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অনুদান প্রদান করেন। সংসদ সদস্য থাকাকালিন সময়েও সরকারি অনুদান প্রদান করেন। কিন্তু গত দেড় দশকে আওয়ামী শাসনামলে তার সকল কিছুই সরিয়ে ফেলা হয়। এছাড়া একটি চক্র কলেজে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতিকে পশ্রয় দিয়ে অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটায়।

Model Hospital

এসব কারণে মঙ্গলবার কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন কলেজের সামনে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদকে তার সম্মান ফিরিয়ে দেয়া , কলেজের সকল অনিয়ম ও দূর্নীতি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পরে তারা কলেজে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, রূপসা দক্ষিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন খান, সাধারন সম্পাদক জাকির পাটওয়ারী, উপজেলা বিএনপি নেতা সেলিম পাটওয়ারী, মো. বিল্লাল হোসেন কম্পানি, গৃদকালিন্দিয়া বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি জামাল খান, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এম টুটুল পাটওয়ারী, মাসুদ খান বাচ্চু এবং কলেজ শিক্ষক পরিষদের পক্ষে দেলোয়ার হোসেন ও ফরিদগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ি কমিটির সাংগঠনিক সম্পদাক ও উপজেলা যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন সজিব, বিএনপি নেতা মশিউর রহমান রিপন, যুবদল নেতা ও গৃদকালিন্দিয়া বাজার ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন। এসময় বক্তারা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আগামীতে বাস্তবসম্মত কলেজের গর্ভনিং বডি গঠন ও সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদকে সভাপতি করার দাবি জানান।

এব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো: হারুনুর রশিদ মুঠো ফোনে বলেন, কলেজটি প্রতিষ্ঠার সময় অনেকের মতো আমারও অবদান রয়েছে। কিন্তু গত দেড় দশকে ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার নাম ও আমার বাবার নাম মুছে ফেলা হয়। যা মোটেও সুখকর নয়। এসব বৈষম্য দুর হওয়া প্রয়োজন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital