শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

৫ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে

আউশ ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কচুয়ার কৃষকরা

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৪৯ পিএম
আউশ ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কচুয়ার কৃষকরা

কচুয়ার তেগুরিয়া এলাকায় আউশ ধানে রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা আউশ ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আউশ ধান চাষে অধিক আগ্রহী হয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবছর কচুয়ায় ৫ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। তন্মধ্যে ৪ হাজার ৭শ ৫২ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করা হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আউশ চাষে বেশি ঝুঁকছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর জমিতে আউশ ধান বেশী চাষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস আউশ ধান চাষে কৃষকদের আকৃষ্ট করতে কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বীজ ও সার পেয়ে কৃষকরা আরো উৎসাহী হয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

Model Hospital

কৃষকরা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর কৃষকরা বেশী আউশ ধানের চাষ করছেন। আউশ ধান চাষের উপযুক্ত সময় বৈশাখ মাস থেকে শুরু করে ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়। ৫ মাসের আয়ুস্কালে কৃষকরা ধানের ফলন পেয়ে থাকেন। বর্তমানে কচুয়া উপজেলার আউশ ধান চাষে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার পালাখাল, তেগুরিয়া, যুগিচাপড়, নন্দনপুর সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা আউশ ধান আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা জমি প্রস্তুত করন ও বীজ রোপনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। একটু ফুরসত নেই কৃষকের মাঝে।

কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এ বছর কচুয়াতে ৫ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকদের আউশ ধান চাষে উৎসাহ দিতে কৃষককে সার ও বীজ দেয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে চলতি বছর আউশ ধানের বাম্পার ফলন হবে বলেও জানান তিনি।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।