বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

চান্দ্রা ইউনিয়নে যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত

যৌথ অভিযানে নিরপরাধ কোন ব্যক্তি যেন হয়রানীর শিকার না হয় : জয়নাল আবেদীন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:০২ পিএম
যৌথ অভিযানে নিরপরাধ কোন ব্যক্তি যেন হয়রানীর শিকার না হয় : জয়নাল আবেদীন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি জননেতা শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শান্তি ও ন্যায় বিচার বা ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায় । বর্তমান পুলিশী অভিযান চলছে বিভিন্ন জায়গায় অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, আমার কথা হচ্ছে নিরপরাধ কোন ব্যক্তি যেন হামলা মামলা ও হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে । কারণ অনেক স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তি আক্রোশ ও প্রতিহিংসাবশত হয়ে এই সুযোগের অসদ্ব্যবহার যাতে না করতে পারে প্রশাসনের সেই দিকে সতর্ক খেয়াল রাখতে হবে।
মনে রাখতে হবে জুলুম নির্যাতনের সাময়িক স্বাদ আস্বাদন হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। পরবর্তী সময়ে এই জুলুম তার জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আওয়ামী দুঃশাসনের  নির্লজ্জ পতন থেকে যদি শিক্ষা গ্রহণ না করতে পারি তাহলে আমরা এখনো বোকার স্বর্গে বাস করছি।
ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের এই রক্তকে আমরা বৃথা যেতে দিতে পারি না। এই অভ্যুত্থানের পরিবেশ এক দিনে তৈরি হয়নি বহু সংগ্রাম আন্দোলন নির্যাতন জুলুম দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিনাভোটের নির্বাচন,আয়নাঘরের সেই ভয়ানক চিত্র এ গণঅভ্যুত্থানের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল দাবি ছিল শিক্ষা এবং চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ। ইসলামী আন্দোলনের মূল দাবি ছিল রাষ্ট্রের সকল বৈষম্য দূরীকরণ ও রাষ্ট্র সংস্কার। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজপথে দুর্বার প্রতিবাদ গড়ে তোলে ।
১৬ জুলাই আবু সাঈদের বুকে গুলি করে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ১৭ জুলাই ব্যানারবিহীন শায়েখে চরমোনাইর নেতৃত্বে রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল ১৮ জুলাই পীর সাহেব চরমোনাই বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব ঐতিহাসিক ভাষণ সরকার পতন আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নেয়। তারপর ১৯ জুলাই কারফিউ ভঙ্গ করে মিছিল করার চেষ্টা করলে বিক্ষোভ মিছিলে অতর্কিত হামলা ও গুলি বর্ষন করা হয়। এতে অসংখ্য নেতা কর্মীকে গুলি বৃদ্ধ হয় এবং আমাদের অনেকে শাহাদাত বরণ করেন। যাক পুরো ইতিহাস সময় পেলে বলবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন আজকের এই যুব সম্মেলন থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি গণহত্যাকারীদের বিচার, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবাজদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি PR প্রবর্তন, চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা সহ দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জোর দাবি জানাচ্ছি।
ইসলামী যুব আন্দোলন ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব নেতা ক্বারী মোহাম্মদ মোস্তফা পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুব সম্মেলনে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মুফতি ইমরান হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নুর উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়ন সভাপতিসভ মাওলানা মজিবুর রহমান, ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর সদর উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন নেয়ামত সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।