বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে কর্মদিবসে ইউপি কার্যালয়ে উড়ে না জাতীয় পতাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৪৩ পিএম
ফরিদগঞ্জে কর্মদিবসে ইউপি কার্যালয়ে উড়ে না জাতীয় পতাকা

ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল কার্যক্রম চললেও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পরিষদের কার্যক্রম চলাকালিন সময়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) কার্যদিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ছাড়াই চলেছে দাফতরিক কার্যক্রম। এদিন একাধিকবার পরিষদ চত্বরে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

বিধি মোতাবেক ছুটির দিন ব্যতীত সব কার্যদিবসে সব সরকারি ভবন, কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদে প্রায়ই এর ব্যত্যয় ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি নাগরিকত্ব সনদ নিতে এসেছি। এসে দেখি পরিষদের পতাকার খুঁটিতে পতাকা নেই। এটা দেখে কিছুটা থমকে গিয়েছিলাম। পরিষদের সচিবসহ অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত থাকলেও কেউই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেননি।

Model Hospital

ক্ষোভ প্রকাশ করে মিলন মিয়া নামের এক স্কুল শিক্ষক বলেন, আমি পরিষদের সামনে দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করে থাকি। পরিষদে সেবার জন্য অনেক প্রবেশ করেছি, এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে উৎকোচ নিতে ভুল করেন না। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে ভুলে যান। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহীম মিয়া, ইকবাল হোসেন, গোলাম কিবরিয়াসহ আরো অনেকেই বলেন, আমরা প্রায় সময় পরিষদে যাওয়া আশা করি। চেয়ারম্যান সাহেব জনপ্রতিনিধি, তিনি বাহিরে থাকতে পারেন। কিন্তু সচিবকে ঠিকমত পরিষদে পাওয়া যায়না। অনেকদিন লক্ষ্য করেছি, পরিষদে ঠিকমত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়না। দেখে খুবই অস্বস্তি লাগছে। জাতীয় পতাকার বিষয়ে সবার গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

শোল্লা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফা কামাল সবুজ, এই পরিষদে শুধু জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান নয়, সচিব ও উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে আরো অনেক অনিয়ম চলছে। যা সচেতন নাগরিক হিসেবে মেনে নেওয়া লজ্জাজনক।

সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়না। এমন তথ্য পেয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ওই পরিষদের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, ভবনের ছাদে জাতীয় পতাকা লাগানোর খুঁটি থাকলেও তাতে পতাকা নেই।

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নাজমুল হোসেন নিজের পরিচিত জনের সাথে গোশগল্পে মেতে আছেন। পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশরা কার্যালয়ে নেই, তাই পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। তবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার বিষয়ে তাকে কোন প্রকারের বিচলিত হতে দেখা যায়নি।

এসময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন হোসেনকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে শনিবার(২৬ অক্টোবর) দুপুরে তার মুঠোফোনে কল করলে নারী কণ্ঠের একজন কল রিসিভ করে জানান,চেয়ারম্যান সাহেব অসুস্থ।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, আমি এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। ওই পরিষদে খোঁজ খবর নিয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital