বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

চরমোনাই’র নমুনায় মাহফিল সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজক কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:১০ পিএম
চরমোনাই’র নমুনায় মাহফিল সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজক কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
চরমোনাই একটি আবেগ অনুভূতির নাম, যে নামের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে দেশ-বিদেশের লাখো কোটি ঈমানদার ও তৌহিদী জনতার সম্পর্ক। পথ ভুলা মানুষ খুঁজে পায় সঠিক পথের দিশা।
চাঁদপুরে চরমোনাই’র নমুনায় মাহফিল শুরু হয় ২০১৯ সালের ৯,১০,১১ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় মাহফিলটি হয় ২০২১ সালের ১৫,১৬,১৭ জানুয়ারি। ২০২৪ সালে সদ্য সমাপ্ত হওয়া ৮,৯,১০ নভেম্বর এর মাহফিলটি ছিল আমাদের তৃতীয় মাহফিল।
৮ নভেম্বর নায়েবে আমিরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম শায়েখে চরমোনাই এর উদ্বোধনী বয়ান ও জুমার নামাজের মাধ্যমে শুরু হয়ে ১১ নভেম্বর’২৪ বাদ ফজর আমিরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব হুজুর চরমোনাই এর বয়ান ও আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে সফল সমাপ্তি হলো।
দীর্ঘ প্রায় এক মাসের কষ্ট ক্লেশ আখেরী বয়ান এবং মুনাজাতে মাওলার দরবারে কান্না ভেঁজা রোনাজারীর মাধ্যমে সবকিছু ম্লান হয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যৎ কর্মপ্ল্যান আরো মজবুত করার হাতছানি যুগিয়েছে। মাহফিলে আগত জনস্রোত আমাদেরকে আসান্বিত করেছে।
যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিশাল এ আয়োজনকে আল্লাহ সফল করার সুযোগ করে দিয়েছেন মহান মালিকের কাছে তাদের উত্তম প্রতিদান কামনা করছি। বিশেষ করে জেলা, উপজেলা মুজাহিদ কমিটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সহ সকল সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল, কর্মী, সদস্য, সমর্থক ও আপামর চাঁদপুরের তৌহিদি জনতা এবং আর্থিক,শারীরিক মানসিক ভাবে পরামর্শ দিয়ে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি চাঁদপুরের সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পৌর প্রশাসক, মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ যারা মাহফিলের সার্বিক খোঁজখবর রেখেছেন এবং তাদের সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়ে মাহফিলকে সুশৃঙ্খল করার জন্য এবং সার্বিক  নিরাপত্তাবিধানে সহযোগিতা করেছেন। ক্যাম্প স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টিম সহ এখানে যারা ৩ দিন নিরলস ভাবে সময় দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ধারাবাহিক ভাবে এই মাহফিলে আগত বুজুর্গ ওলামায়ে কেরাম যারা চাঁদপুরের এই জমিনে পদার্পণ করে আমাদেরকে ধন্য করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নসিহত চাঁদপুরবাসীকে উপহার দিয়েছেন।
আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এলাকাবাসীর প্রতি যারা প্রতিনিয়ত মাহফিলের প্যান্ডেল দেখাশোনা করেছেন এবং আমাদেরকে পরামর্শ দিয়ে উৎসাহিত করেছেন। আমরা জানতে পেরেছি মাহফিল এলাকার আশপাশের বিভিন্ন বাড়িতে বাড়ির লোকজন মিলে অসংখ্য মহিলা প্যান্ডেলের ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের মা বোনদের কে কোরআন হাদিসের নসিহত শোনার জন্য সুন্দর নিরাপদ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন আমি তাদেরকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাই যেহেতু মাহফিল কমিটির পক্ষ থেকে আমরা পৃথক এখনো কোন মহিলা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করতে পারিনি।
সর্বোপরি এই মাহফিলে যারা এসেছেন মাহফিলকে সফলতার শীর্ষে নিয়ে গেছেন উপস্থিত হয়ে বয়ান শুনে তাদের প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ এবং আমাদের আয়োজনে ত্রুটি বিচ্যুতির জন্য কমিটির পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং ভবিষ্যতে মাহফিলকে আরো সুন্দর সুশৃঙ্খল এবং আরো ব্যাপক পরিসরে করার ব্যাপারে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে দ্বীনের এই রুহানি বাতিঘরকে জারি রাখার মত তৌফিক দান করুন আমাদের সবাইকে আল্লাহ দ্বীনের জন্য কবুল করুন।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।