বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তর উপজেলার

ফরাজীকান্দি বিএনপির সভাপতি হতে চান তারিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:০১ পিএম
ফরাজীকান্দি বিএনপির সভাপতি হতে চান তারিকুল ইসলাম

তারিকুল ইসলাম সরকার।

সারা দেশে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে মহানগর পর্যন্ত বিএনপির কমিটি শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন দলের শীর্ষ একাধিক নেতা।
এদিকে কমিটিতে পদ পেতে যার যার অবস্থান থেকে দৌড়-ঝাপ শুরু করে দিয়েছেন সম্ভাব্য নেতারা।
তৃনমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, যাদের সাংগঠনিক দক্ষতা বেশি, অভিজ্ঞতা আছে। রয়েছে ক্লিন ইমেজ। যাদের কাছে জনগনের জানমাল ও ইজ্জত নিরাপদ এমন নেতাকেই নেতৃত্বে আনা উচিৎ। সবকিছুুু বিবেচনায় নিয়ে নেতৃত্ব নির্ধারন করবেন বিএনপির হাইকমান্ড।
তাদেরই একজন ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি তারিকুল ইসলাম সরকার। তিনি ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সহিত পালন করেছেন ১০ বছর, তারপর  সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন আরো ৫ বছর সেখান থেকে উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত পালন বেশ ক’বছর।
নিজেকে সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল রাজনীতিবিদ দাবি করে তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে যোগ্য নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি। আমি ছাত্রজীবন থেকে রাজনৈতিক আদর্শে সততার সঙ্গে কাজ করে এসেছি। মাঠ পর্যায়ে যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছি। তবে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক এবং ক্যাসিনোর মতো জুয়ায় নিজেকে কখনো জড়াইনি। এসব অপকর্মের বিরোধিতা করে এসেছি সবসময়।’
দলের হাইকমান্ড ‘ক্লিন ইমেজ’ নেতৃত্ব খুঁজছেন জানিয়ে তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, সিনিয়র নেতাদের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনায় এবং তীক্ষè নজরে আমি বাদ পড়ব না যোগ্যতার বিচারে। দলের দুঃসময়ে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ভূমিকা রেখেছি।
‘আজকে দলের সুদিনে এসেছে। আশা করছি, আমাদের আশা আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। সেই দৃষ্টিকোণে আমি ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে সভাপতি প্রার্থী হতেই পারি।’
সভাপতি মনোনীত হলে আগামী পরিকল্পনা কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘বিশ^নন্দিত জননেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক বিএনপিকে ঢেলে সাজাব। তৃণমূল পর্যায়ে অবহেলিত এবং ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে জনগণের কাছে বিএনপির রাজনীতির সুবাতাস ছড়িয়ে দেব।’

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’