বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভাংচুর-লুটপাটের মামলায়

হাজীগঞ্জে যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৩ নেতা জেল হাজতে

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৪৭ পিএম
হাজীগঞ্জে যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৩ নেতা জেল হাজতে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ গেল বছর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, লুটপাট ও কর্মচারিকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আরও ৩ আসামীকে জেলা হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার আসামীরা আত্মসমর্পন করে জামিনের আবদেন করলে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামীরা হলেন-হাজীগঞ্জ পৌরসভার মকিমাবাদ এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে পৌর যুবলীগের তাজুল ইসলাম (৪৮), পৌরসভার মোল্লা বাড়ীর শাহজাহান মোল্লার ছেলে আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবক লীগের শরীফ মোল্লা (৩২) ও ৮নম্বর ওয়ার্ড টোরাগড় এলাকার দুলাল কাজীর ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজু কাজী (২৯)।

এর আগে একই আদালতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি একই মামলার ৫ আসামীর জামিন না মঞ্জর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় বিচারক। আসামীরা হলেন-মহিন উদ্দিন (২৫), রাসেল ওরফে গোদা রাসেল (৩০), শুকু ওরফে শুকুর আলম (৪৮), আদর কাশারী (২০) ও রায়হান কাশারী (২৫)। আসামীরা হাজীগঞ্জ উপজেলার শ্রমিকলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

Model Hospital

মামলার বিবরন থেকে জানাগেছে, গেল বছর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে হাজীগঞ্জ পূর্ব বাজার মেসার্স মার্সেল (ইলেকট্রোল্যান্ড) নামক প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবী, পরবর্তীতে ভাংচুর, লুট ও কর্মচারিদের হামলা করে আহত করে। এতে প্রতিষ্ঠানের তিনটি ফ্লোরের ১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৬ হাজার ৭১০টাকার মালামাল লুট ও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এই ঘটনায় ২০ আগস্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. মিজানুর রহমান সেলিম বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় ৭৪জন নামীয় ও ১০০-১৫০জন অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়।

মামলার এজহার নামীয় উল্লেখিত ৩ আসামী গত চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। ওই ৬সপ্তাহ শেষ হলে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুর জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সরকার পক্ষের আইনীজীবী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. কুহিনুর বেগম।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি কুহিনুর বেগম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট বাবর বেপারী, অতিরিক্ত এপিপি শামসুল ইসলাম মন্টু ,এপিপি হারুনুর রশিদ, এপিপি নুরুল আমিন খান আকাশ, এপিপি ইয়াসিন আরাফাত ইকরাম ও এপিপি মোজাহিদুল ইসলাম সাদ্দাম।

আসামী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শফিকুল ইসলাম ভুইয়া ও সৈয়দ মুস্তাফা জিলানী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।