বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসায় যাচ্ছে ভিটেমাটি, গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত সিদ্দিক বেঁচে থাকতে চায়

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:১৯ পিএম
চিকিৎসায় যাচ্ছে ভিটেমাটি, গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত সিদ্দিক বেঁচে থাকতে চায়

হ্যাঁ বন্ধুরা, ভারতের বিখ্যাত গায়ক ভূপেন হাজারিকার সেই অমর ঐতিহাসিক গানের কথায় বলতে হয় : মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু মানুষ মানুষের জন্যে ……………..।

গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত অসহায় মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান (৬৫) আপনার আর্থিক সহায়তা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাকি জীবন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চান। তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মেহের উত্তর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বরুলিয়া গ্ৰামের (নোয়াবাড়ী) বাসীন্দা মরহুম ফজলুল হক, মাতা-মরহুমা মরিয়মের নেছার পুত্র।

বিগত ২০২৩ সালের শুরুতে তার বাম পায়ে ব্যাথা বেদনা শুরু হলে তিনি এলাকার কোয়াক ডাক্তার, শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকার মনসুর হাসপাতাল এবং সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেন। বহু পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তিনি গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বাম পায়ের বৃদ্ধ আংগুলটি গোড়া থেকে কেটে ফেলে দেন। কিন্তু বাম পায়ের বৃদ্ধ আংগুলটি কেটে ফেলার পর কিছু দিন ভালো থাকেন এর কিছুদিন পর তার বাম পায়ের ব্যাথা আবারও বাড়তে থাকায় তিনি পূণরায় চিকিৎসকের শরনাপন্ন হন। এবার চিকিৎসক তাকে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আবারও কিছু ঔষধপত্র দেন এবং তা নিয়মিত সেবন করার পরামর্শ দেন।

অসহায় ছিদ্দিকুর রহমান চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে থাকেন। কিন্তু ইতিমধ্যে তার বাম পায়ের পাশাপাশি ডান পায়েও প্রচণ্ড ব্যাথা ছড়িয়ে পড়ে। অসহায় ছিদ্দিকুর রহমান আবারও চিকিৎসকের পরামর্শের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ভাসকুলার সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক DR. MAINUL MAHMUD (SUNY) এর পরামর্শ নেন। চিকিৎসক এবার তাকে পূণরায় কিছু ঔষধপত্র দিয়ে তা নিয়মিত সেবন করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করতে থাকেন অসহায় ছিদ্দিক। কিন্তু তার ব্যাথা ভালোতো হয়নি বাম পায়ের পাশাপাশি এবার তার ডান পায়েও ব্যাথা ছড়িয়ে পড়ে। এবার চিকিৎসক পরামর্শ দেন তার পায়ে আরও একটি বড় অপারেশন করতে হবে। আর এই অপারেশনে ঔষধপত্র সহ কমপক্ষে ৩ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হবে। অর্থের অভাবে অসহায় ছিদ্দিক এখন পায়ের অপারেশন করতে পারছেন না।

Model Hospital

ইতিমধ্যে অসহায় ছিদ্দিকুর রহমান বাম পায়ের চিকিৎসায় নিজের জমানো ও মানুষের সহায়তা নিয়ে ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে ফেলেছেন। কিন্তু পায়ের অসুখের কিছুই হয়নি। তার নিজের এমন কোন সহায় সম্বল নেই যা দিয়ে তিনি পায়ের রোগ থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পারেন। এমতাবস্থায় গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত অসহায় মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সমাজের বিত্তবানদের নিকট তার রোগমুক্তির জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে হাত বাড়িয়েছেন। সমাজে এমন কেউ কি আছেন যারা গ্যাংগ্ৰিনে আক্রান্ত অসহায় ছিদ্দিকুর রহমানের পাশে আর্থিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন?

উল্লেখ্য, মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সরকারের দেয়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ২০২১ সাল থেকে বয়স্ক ভাতা হিসেবে মাসিক ৬০০/- হারে ভাতা পেয়ে আসছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, অসহায় ছিদ্দিক ৩ মেয়ে ও ১ ছেলের জনক। ইতিমধ্যে তিনি ৩ মেয়েকে পাত্রস্থ করেছেন। একমাত্র ছেলে মোঃ ইউসুফ (৩৮)কে ধারদেনা করে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য বিদেশে পাঠান। কিন্তু কি-এক অজানা কারণে ছেলের বিদেশি কোম্পানির‌ নিয়োগকর্তা তাকে দেশে ফেরৎ পাঠিয়ে দেয়। তার ছেলে মোঃ ইউসুফের ৩টি শিশু সন্তান রয়েছে। ঋণে অটো রিকশা ক্রয় করে তা চালান যা আয় হয় তার সামান্য কিছু পারিবারিক কাজে ব্যয় করতে পারেন। এদিকে অসহায় ছিদ্দিক তার অসুস্থ শরীর নিয়ে নিজের বাড়ির পাশে ছোট একটি চা দোকান চালান। এই চা দোকানে তার দৈনিক আয় ১৩০/- থেকে ১৫০/- টাকা। যা দিয়ে তার ছেলের ও নিজের ৭ সদস্যের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ কোনরকমে চলে।

এমতাবস্থায় যদি কোন হৃদয়বান মানুষ অসহায় মোঃ ছিদ্দিকুর রহমানকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠাতে চান তাহলে নীচে দেয়া তার ব্যাংক হিসাব নম্বর বা তার বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন।

মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান :
ব্যাংক হিসাব নম্বর : ২০৫০৭৭৭০২২২৮৮১০০৯,
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি,
এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা, ও
বিকাশ নম্বর : 01860820097

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।