বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রমজানে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা : প্রিন্স শাকিল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩১ পিএম
রমজানে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা : প্রিন্স শাকিল আহমেদ

মরহূম আলহাজ্ব আহমদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ওয়াকফ এস্টেট কর্তৃক পরিচালিত হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে আসন্ন রমজান উপলক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে মোতয়াল্লী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্র, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ল’গ্রেজুয়েট এবং সমাজবিজ্ঞানী প্রিন্স শাকিল আহমেদ ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বলেন,‘ মুসল্লিদের সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায় করতে মসজিদ কমপ্লেক্সসহ প্রাঙ্গণে প্রয়োজনীয় কাপড়ের দস্তর বিছানোর ব্যবস্থা রাখা ও সামিয়ানা টানানো,পর্যাপ্ত ওযুরস্থান ব্যবস্থাকরণ, রাতভর এবাদতের জন্যে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা জোরদার, নামাজ ও আযানের সাইন্ডসিস্টেম বজায় রাখা, ওয়াশব্লক সম্পুর্ণ পরিস্কার-পরিছন্নতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নিদের্শনা প্রদান, রাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জুমার দিনে মহিলাদের নামাজ আদায়ে প্রয়োজনীয় পর্দাসহ ওযুর ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সাহরী ও ইফতারের সময় যথাযথ নিয়মে সাইরেন বাজানো ও তাৎক্ষণিক উপস্থিত রোজাদারদের জন্যে সাধ্যমত ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।’

পবিত্র রমজানের মাসের ৫ ওয়াক্ত নামাজ তারাবীহ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলায়েত, জিকির-আজকার, তসবীপাট ও অন্যান্য নফল এতাদত করার লক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় ধর্ম-প্রাণ মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যে অংশগ্রহণের জন্য এবারো জেলার সর্ববৃহৎ,প্রাচীন ও ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের পক্ষ থেকে এ সব বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন,‘ নতুন দু’ জন হাফেজ নিয়োগ প্রদান, রমজানের শেষ ১০ দিন এতেকাপে প্রায় গড়ে ৩শ থেকে ৪শ খোদাভক্ত মুসুল্লীদের রাতভর ইবাদতের জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা ও রমজান মাসে যাতে মুসল্লীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ও বেশি বেশি ইবাদতের জন্যে ২৪ ঘন্টাই মসজিদ খোলা রাখা হয়। জুমাতুল বিদাসহ রমজানের সকল জুমা দিনে নামাজ আদায়ে সব রকম ব্যবস্থা নিশ্চিত রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ’

Model Hospital

‘হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে সকল জুমায় ও জুমআতুল বিদা’র দিনে সকাল ১০ টা থেকে জেলার বিভিন্ন্ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা,অধ্যাপক ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,শিক্ষক,পর্দনশীল মহিলা ও ছাত্রসহ অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ মসজিদে সমবেত হন। মসজিদ কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাগ্রহণে আন্তরিক রয়েছেন। ওয়াকফ এ্যাস্টেট সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ সব সময়েই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

এছাড়াও পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের নামাজের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে কর্তৃপক্ষ। ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠানের সব দিকে উদ্যোগ নেয়া হয়ে থাকে। ’ তিনি প্রসঙ্গক্রমে আরোও বলেন,‘মুসলিম উম্মার জন্যে এ দিনটি জুমাতুল বিদা ও জুমার দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিবছরের মতো এবারো জুমা ও জুমাতুল বিদা পালনে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরই মধ্যে সংশিষ্ট সবার দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ও ক্রমাগত সংখ্যা বৃদ্ধিতে নতুন নতুন ব্যবস্থা ও প্রাসঙ্গিক সকল সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, হাজীগঞ্জ থানা ও ট্রাফিক পুলিশ, হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি এবং ব্যবসায়ীসহ এলাকার লোকজন সার্বিক সহযোগিতা করে থাকেন।’ নামাজ পড়াবেন মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম মুফতি আবদুর রউফসহ পর্যায়েক্রমে আরো ২ জন।’

হাজীগঞ্জ আহমেদিয়া কাওমী মাদ্রাসার মোহতামীম ও হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিবের দায়িত্বে নিয়োজিত হাফেজ মাওলানা মুফতি আবদুর রউফ বলেন,‘ রমজানের খতম তারাবিহ নামাজ পড়াতে এবার দু’জন নতুন হাফেজ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমিসহ ৩ জন হাফেজ পর্যায়ক্রমে নামাজ পড়াবেন। এরা হলেন- হাফেজ মাও.জাবের হোসেন ও হাফেজ মাও.ইমাম উদ্দিন। ২৭ রমজান কোরাান খতম সম্পন্ন হবে এবং দেশবাসীসহ সকল মুমিন মুসলমানদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে ও দেশ,জাতি ও দেশের সার্বিক কল্যাণে বিশেষভাবে দোয়া পরিচালনা করা হবে। ’

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় জামে মসজিদের ব্যবস্থাপক মো.আবদুল্লাহ আল মামুন রাজু বলেন,‘প্রতি জুমা ও জুমাতুল বিধায় মুসল্লিগণের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা চিন্তা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে মসজিদ কমপ্লেক্সের পাশাপাশি হাজীগঞ্জ টাওয়ার মার্কেট,রজনীগন্ধ্যা মার্কেট,কাওমী মাদরাসা ও মার্কেট,আলীয়া মাদরাসা ও প্লাজা মার্কেটে নামাজ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।’

ঈদের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা,আইন-শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক থাকে। মসজিদ এরিয়া ছাড়া হাজীগঞ্জ বাজার রোডে বিভিন্ন সুবিধাজনক স্থানে বিশেষ ওজুর ব্যবস্থা রাখা হয়। রমজানের শেষ দিকে এতেকাফে অংশগ্রহণকারীর বিভিন্ন প্রকার সেবা প্রদানে মসজিদ কর্তৃপক্ষ কাজ করছেন ।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।