বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সারা দেশের ন্যায়

শাহরাস্তিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংকট, অনিশ্চয়তায় ঈদ আনন্দ

মোঃ রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৩:০০ পিএম
শাহরাস্তিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংকট, অনিশ্চয়তায় ঈদ আনন্দ

সারা দেশের মতো চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলাতেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছেন।

ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতির বিভিন্ন জটিলতার কারণে কেউ দুই মাস, কেউ তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। ফলে পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে, আর আসন্ন ঈদ তাদের জন্য আরও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শাহরাস্তির একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “গত তিন মাস ধরে বেতন পাইনি। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। ঈদের আগে বেতন না পেলে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।” একই উপজেলার একটি কলেজের প্রভাষক সুমনা আক্তার জানান, “ইএফটি পদ্ধতিতে বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও আমাদের তথ্যগত কিছু ত্রুটির কারণে তা আটকে আছে। সংশোধনের জন্য আবেদন করলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।”

জানা গেছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ অন্যান্য তথ্যের সামান্য ভুলের কারণে ইএফটি পদ্ধতিতে বেতন প্রদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব তথ্য সংশোধন করতে গিয়ে দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষকরা।

Model Hospital

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, সরকারি শিক্ষকরা সময়মতো বেতন পেলেও তারা মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ঈদের আগে মাত্র একটি কর্মদিবস (২৭ মার্চ) ব্যাংক খোলা থাকবে। এর মধ্যেও যদি বেতন পরিশোধ না করা হয়, তবে ঈদ আনন্দ ম্লান হয়ে যাবে।

এ অবস্থায় শিক্ষক-কর্মচারীরা দ্রুত বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যাতে তারা পরিবারসহ স্বস্তিতে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।