বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বিএনপির আয়োজনে ঈদপুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে : ইঞ্জিনিয়ার মুমিনুল হক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:৪৭ এম
সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে : ইঞ্জিনিয়ার মুমিনুল হক
শাহরাস্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাহরাস্তি পৌরশহরের কালিয়াপাড়া দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সূত্র জানায় ঈদ পরবর্তী বৃহস্পতিবার শাহরাস্তি পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সফল সভাপতি হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক লায়ন ইঞ্জিঃ মমিনুল হক।
তিনি বলেন, এ ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কিছু বার্তা রয়েছে। এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সকল নেতা কর্মী সমর্থকরা ওকিবহাল থাকতে হবে। আপনারা যেভাবে ইচ্ছেমতো কতিপয় ব্যক্তি অসাংগঠনিক কার্যক্রমে লিপ্ত রয়েছেন। সে আমলনামা আমার ও দলের হাই কমান্ডারের নিকট রক্ষিত রয়েছে। সময় মত সে বিষয়ে প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপনারা জানেন একটি রাজনৈতিক দল অপকর্ম করে দেশ ছেড়েছে। এখন আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলতে শুধু আমাদের কতিপয় রাজনীতিবিদ দলের লোকজন রয়েছেন। তারা তাদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন। সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেলে সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবো। যেন আগামী প্রজন্ম বিপথগামী না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে। পরিশেষে তিনি আসন্ন নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা  মেনে দলীয় কর্মকান্ড অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি আগত দলীয় নেতৃবৃন্দ কর্মী সমর্থকদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।
উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব এহতেশামুল হক গণির সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির  সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ রুপন পাটওয়ারী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলী,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ মোজাহের হোসেন, মোঃ জহিরুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম পাটোয়ারী লিটন,উপজেলা বিএনপির সাবেক  সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তার হোসেন পাটোয়ারী,উপজেলা বিএনপি যুগ্ন সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক  আহবায়ক বেলায়েত হোসেন সেলিম,সুচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য টিপু,পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গাজী ফিরোজ, সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম বিলাস,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোলেমান রায়হান, যুবদলের  সিনিয়র যুগ্ন সভাপতি এড. শাহেদুলহক মজুমদার সোহেল , উপজেলা সেচ্চাসেবক দলের আহবায়ক মাসুদ হোসেন ও সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন সিপন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিঃ এ বি এম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন, মাওঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইতালি ভেনিস শাখা জাতীয়তাবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান।
উপজেলা বিএনপি নেতা শফিউল্লাহ বাচ্চু, আনোয়ার হোসেন আখন্দ,সাবেক যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান,জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলী হোসেন মন্টু, পৌর যুবদলের আহবায়ক জাকির হোসেন নয়ন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাসান বাবলু, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।