বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর পুরানবাজারের ব্যবসায়ী মুসলিম হাওলাদার আর বেঁচে নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৭:১০ পিএম
চাঁদপুর পুরানবাজারের ব্যবসায়ী মুসলিম হাওলাদার আর বেঁচে নেই
চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার ট্রাঙ্ক পট্টির এলাকার সুনামধন্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মোহাম্মদ মুসলিম হাওলাদার মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওইন্না ইলাহির রাজিউন।
৪ মে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় তিনি ঢাকা সিকেডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়ে এবং নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজী মোহাম্মদ মুসলিম হাওলাদারের বড় ছেলে হাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহমান জানান, আমার বাবা দীর্ঘদিন যাবত কিডনীজনিত অসুখে অসুস্থ ছিলেন। সবশেষ তিনি অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা সিকেডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
সেখানে আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার বাবা মৃত্যুবরণ করেন। আজ বাদ যোহর (১.৪৫ মি) চাঁদপুরের ঐতিহাসিক পুরান বাজার জামে মসজিদের সামনে আমার বাবার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে বাবার জান্নাত কামনা করে সকল মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।
উল্লেখ্য : হাজী মোহাম্মদ মুসলিম হাওলাদার চাঁদপুর শহরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা পুরান বাজারের একজন সুনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বাজারের ট্রাঙ্ক পট্টি এলাকায় হাওলাদার পলিথিন স্টোরের স্বত্বাধিকারী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন নামাজী, পরোপকারী এবং ভালো মনের মানুষ ছিলেন।
পুরান বাজার এলাকায় অসংখ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সাথে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি নীরবে নিভৃতে অর্থ সহযোগিতা করেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারের পাশাপাশি পুরান বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।