বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে স্বর্ণের কারখানায় চুরির ঘটনায় চোরাই স্বর্ণসহ দুই চোর গ্রেফতার

মোঃ রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৭:১৬ পিএম
শাহরাস্তিতে স্বর্ণের কারখানায় চুরির ঘটনায় চোরাই স্বর্ণসহ দুই চোর গ্রেফতার
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানা পুলিশের পেশাদারিত্ব, বিচক্ষণতা ও দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সম্প্রতি সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর স্বর্ণ চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
গত ৩ মে ২০২৫ তারিখ গভীর রাতে শাহরাস্তি থানাধীন টামটা উত্তর ইউনিয়নের হোসেনপুর মধ্য বাজারস্থ ‘মক্কা জুয়েলার্স’ নামক স্বর্ণের কারখানায় সংঘটিত হয় এক চুরি। অজ্ঞাতনামা চোরেরা কারখানার টিনের চাল কেটে ভিতরে প্রবেশ করে ড্রয়ারে রাখা ২৫ ভরি ১২ আনা স্বর্ণালংকার (মূল্য আনুমানিক ৪১,৩৪,০০০/- টাকা) ও নগদ ৭৫,০০০/- টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ৪ মে ২০২৫ তারিখ শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা (এফআইআর নং-০২, ধারা- ৪৫৭/৩৮০ দণ্ডবিধি) রুজু করা হয় এবং মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিঃ) মোঃ আতোয়ার রহমান-এর উপর।
অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ আবুল বাসার, পিপিএম (বার) এর নেতৃত্বে এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ অলি উল্লাহ ও এসআই (নিঃ) মোঃ আতোয়ার রহমানের যৌথ প্রচেষ্টায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় মেহেরাজ (১৯), পিতা- হানিফ, মাতা- মনি বেগম, সাং- হোসেনপুর (স্বর্ণকার পাড়া)। তার হেফাজত হতে উদ্ধার করা হয় ১ ভরি ৩ আনা ৩ রত্তি চোরাই স্বর্ণ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, আরও দুইজন সহযোগীসহ সে এই চুরির সঙ্গে জড়িত।
এরই ধারাবাহিকতায়, অপর আসামী মোঃ সালাউদ্দিন (২৮), পিতা- মৃত ছাফর আলী, সাং- পরানপুর (মুন্সি বাড়ি), বর্তমান ঠিকানা- মোহাম্মদপুর, ঢাকা-কে ডিএমপি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার হেফাজত হতে উদ্ধার করা হয় ১৩ ভরি ৩ আনা ৩ রত্তি স্বর্ণ।
দুই আসামির হেফাজত হতে মোট ১৪ ভরি ৭ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যা এই চুরির ঘটনায় পুলিশের সফলতা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই অভিযান শাহরাস্তি থানার পুলিশ বাহিনীর নিরলস পরিশ্রম, গোয়েন্দা দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারা যেভাবে দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের শনাক্ত করে জনগণের সম্পদ রক্ষা করেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital