বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে দেলোয়ার হোসেন দুলু ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মনোনীত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৯:৩৯ পিএম
শাহমাহমুদপুরে দেলোয়ার হোসেন দুলু ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মনোনীত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন কমিটির সহ সভাপতি পদে মনোনিত হয়েছেন মহামায়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলু।
গত শুক্রবার (২ মে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চাঁদপুর সদর উপজেলা কমিটির আহবায়ক শাহজালাল মিশন ও সদস্য সচিব এ্যাড. জাহাঙ্গীর আলম খান স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
পরে গত শনিবার (৩ মে) দুপুরে অনুমোদনকৃত পূর্ণাঙ্গ কমিটি শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের হাতে তুলে দেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহজালাল মিশন ও যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন সাগর।
মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলু চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ছোট শাহাতলী গ্রামের বাসিন্দা মৃত আইনুল হক মিজির ছেলে। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরো বলেন, আমি এই রাজনীতিতে থেকে সমাজের জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ। এবং দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকেও কাজ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো।
তিনি পেশাগতভাবে চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া বাজারের বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী। কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন যাবত শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক হিসেবে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।
সদ্য ঘোষিত শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে স্থান পাওয়ায় আগামী দিনগুলোতে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন কমিটির সহ সভাপতি পদে মনোনীত করায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ।
এদিকে দেলোয়ার হোসেনকে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি হিসেবে মনোনীত করায় চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং নিজ ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।
জানা যায়, উক্ত কমিটিতে স্বপন মাহমুদকে সভাপতি, মোঃ নাহিদ খানকে সিনিয়র সহ সভাপতি, মোঃ কামাল মিজিকে সাধারণ সম্পাদক, শাহজালাল দেওয়ানকে সিনিয়র সহ সাধারণ সম্পাদক ও মোঃ শফিক কবিরাজকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে অনুমোদন দেয়া হয়।
এর আগে গত ১৯ মার্চ ইউনিয়নের মান্দারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।