বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বর ও কনে অপ্রাপ্ত হওয়ায় ভেঙ্গে দিল বিয়ে; কাজী ও ঘটকের ভৌ দৌড়

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫, ৯:০৩ পিএম
শাহরাস্তিতে বর ও কনে অপ্রাপ্ত হওয়ায় ভেঙ্গে দিল বিয়ে; কাজী ও ঘটকের ভৌ দৌড়
শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম নিজমেহের মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়, ওই রাতে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানার নিকট অপাপ্তবয়স্ক একটি বিয়ে হওয়ার অভিযোগ আসে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার ঘটনার স্থলে অভিযান চালান।
ওই সময় আগত বর ও কনের বিবাহের স্বপক্ষে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রমাণিত হয়।
পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার অভিযুক্ত কনের পিতাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত  বিবাহ না দেওয়ার বিষয়ে দুই পরিবারের অঙ্গীকারনামা মুচলেকা আদায় করেন।
ওই সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বিবাহ কান্ডে জড়িত কাজী ও ঘটক কেটে পড়েন।
এ প্রসঙ্গে  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের বৈবাহিক আইন অনুসারে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বরের বয়স ২১, কনের বয়স ১৮ হওয়া অত্যাবশ্যক। ওই রাতে ঘটনাটি দেশের বিবাহ নিরোধ আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে অকাল বিয়ে থেকে রক্ষা পেলো ওই কিশোরী।
তিনি আরো বলেন, “বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। ছেলেমেয়েরা যথার্থ  শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠুক, এটাই রাষ্ট্রের প্রত্যাশা। দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে কেউ বাল্যবিয়ের আয়োজন করলে সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital