বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গণহত্যার বিচার ও সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন দেশবাসি বরদাশত করবে না : মাওলানা কাইয়ূম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ৯:০৪ পিএম
গণহত্যার বিচার ও সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন দেশবাসি বরদাশত করবে না : মাওলানা কাইয়ূম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেছেন, ২৪’এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার বিচার ও রাষ্ট্রসংস্কার ছাড়া নতুন বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন দেশবাসি বরদাশত করবে না। গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার ও রাষ্ট্রসংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে জুলাই অভ্যুত্থান ব্যহত হবে, শহীদের আত্মা কষ্ট পাবে, আহতদের ক্ষত আরও বাড়বে।
তিনি আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে আয়োজন করার জোড়ালো দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক দলের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিআর পদ্ধতির অনুসরণ করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে সকাল ৯টায় জেলা কার্যালয়ে চাঁদপুর- ৩ (চাঁদপুর-হাইমচর) নির্বাচনী আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল দায়িত্বশীলদের মতামত গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি ও জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক শায়খুল হাদিস আল্লামা মকবুল হোসাইন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ জয়নাল আবদিন।
জেলা সেক্রেটারি ও জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কেএম ইয়াসিন রাশেদসানীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা গাজী মুহাম্মদ হানিফ, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেলাল আহমাদ, মুফতি আল-আমিন, মাওলানা আবদুল্লাহ আল-মানুন, ডা. বেলাল হোসাইন, ডা. মুহাম্মদ সফিউল্লাহ, মাওলানা মজিবুর রহমান, মুহাম্মদ শরীফ মৃধা, ফখরুল ইসলাম শিমুল প্রমুখ।
এদিকে আজ বিকাল ৩টা থেকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর- (কচুয়া) আসনের প্রার্থী বাছাই স্থানীয় যমযম হোটেলে সম্পন্ন হয়েছে।
কচুয়া আসনের প্রার্থী বাছাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক শায়খুল হাদিস আল্লামা মকবুল হোসাইন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ জয়নাল আবদিন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান, দীনি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সভাপতি মাওলানা আবু হানিফ, সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন জহির, মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম রুবেল, হাফেজ মাওলানা ইবরাহীম, আলহাজ উসমান গণি, গাজী গোলাপ শাহ প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।