হাজীগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল, স্বৈরাচার বিরোধী বক্তব্য
জামায়াতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে : মাও: আবুল হোসাইন
জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গণমিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

৫ আগস্ট সোমবার দুপুরে হাজীগঞ্জ বাজারে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্বরোড মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর চাঁদপুর জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবং চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন বলেন, “জুলাই বিপ্লব কোনো দলের নয়, এটা ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ফসল।”

তিনি আরও বলেন, “স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছর ধরে হত্যা-গুম-দমনপীড়নের রাজনীতি করেছে। জনগণ সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে।”

আবুল হোসাইন বলেন, “আমরা এখনো বলছি, আগে নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার, পরে জাতীয় নির্বাচন।”
আলোচনায় উঠে আসে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে “অযাচিত হস্তক্ষেপ” নিয়েও ক্ষোভ। নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ বিষয়- যেমন বায়তুলমাল, নফল ও তাহাজ্জুদ নামাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, জামায়াত তার নিজস্ব গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগাবে। অতীতেও দেখা গেছে, একটি ক্ষমতাসীন শক্তি জামায়াতকে থামাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। এ দেশের মানুষ আর সেই স্বৈরাচার দেখতে চায় না। যারা এখন জামায়াতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন, তারা ভবিষ্যতে নিজ দলের পদ হারাবেন এবং জনগণও তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাজীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির আবুল হাসানাত পাটোয়ারী।
বক্তব্য দেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মীর হোসাইন, শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা আবু জাফর সিদ্দিকী, উপজেলা নায়েবে আমির মোজাম্মেল হোসেন পরান, মাওলানা শরীফ হোসাইন, সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, পৌরসভা নায়েবে আমির মাওলানা কবির হোসাইন, সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির হাজীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি আব্দুস সালাম।







