বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে এসিল্যান্ড নিরুপম মজুমদারকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫০ পিএম
শাহরাস্তিতে এসিল্যান্ড নিরুপম মজুমদারকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা
শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদারকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে শাহরাস্তি প্রেসক্লাব।
সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে শাহরাস্তি পৌরশহরের সাহাপুর মৌজায় সহকারী কমিশনার (ভূমির) কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে  প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছায় জানিয়ে  সিক্ত করেন তাকে ।
উল্লেখ্য, নিরুপম মজুমদার চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি শাহরাস্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারি সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নানা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও  সংস্কারকাজ করেন । অনিয়মের বিষয়ে ছিলেন  সোচ্চার। সম্প্রতি বদলির আদেশে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা  যোগদানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিদায়ী  এসিল্যান্ড তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “আমি অল্প সময়ের জন্য শাহরাস্তিতে দায়িত্ব পালন করেছি।
এ সময়ের মধ্যে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে কিছু কাজ শুরু করেছি, যদিও সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে সব কাজ শেষ করতে পারিনি। তবে আমি বিশ্বাস করি, আপনারা সেই কাজগুলো আগামীতেও এগিয়ে নেবেন। সাংবাদিকরা সবসময় উন্নয়ন ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, তাই আপনাদের সঙ্গে এই সম্পর্ক আমি আজীবন লালন করব।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দ।এতে  আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম, সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সদস্য মোঃ রুহুল আমিন তরুণ, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক মাহবুব হাসান বাবলু, সদস্য ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল হাসান হামজা, সদস্য মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং শাখাওয়াত হোসেন হৃদয়সহ ক্লাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বিদায়ী এসিল্যান্ড নিরুপম মজুমদারের দায়িত্বশীলতা, নিষ্ঠা ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
তারা বলেন, “শাহরাস্তির মানুষ তার কর্মকালীন সময়ে একজন সৎ, দক্ষ ও পরিশ্রমী কর্মকর্তাকে পেয়েছিল। তার আন্তরিকতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
অনুষ্ঠান শেষে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায়ী এসিল্যান্ডের সাথে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ স্মৃতিচারণা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।