বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চেয়ারম্যান কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী, মহাসচিব ড. আবদুল্লাহ আল মারূফ

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫০ পিএম
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন

দ্বিধাবিভক্ত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতকে একত্রিত করে ‘সম্মিলিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’র জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৩ আগস্ট শনিবার ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশ থেকে সহস্রাধিক প্রতিনিধি ও কাউন্সিলরের অংশগ্রহণে জাতীয় এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান মনোনীত হন শায়খুল হাদীস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী (চট্টগ্রাম)। মহাসচিব মনোনীত হন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মারূফ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)। এছাড়া নির্বাহী চেয়ারম্যান মনোনীত হন পীরে তরিকত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী (চট্টগ্রাম)।
কাউন্সিলে সভাপতিত্ব করেন পীরে তরিকত সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমাদ আল-হাসানী আল-মাইজভাণ্ডারী।

কাউন্সিল অধিবেশনের এক পর্যায়ে তিন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের চেয়ারম্যান যথাক্রমে আল্লামা শেখ আবদুল করিম সিরাজনগরী, আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী ও আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী নিজ নিজ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

Model Hospital

এরপর উপস্থিত কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠনকল্পে নির্বাচন কমিশন গঠন হয়। সেই কমিশন দীর্ঘ বৈঠক শেষে চেয়ারম্যান, নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং মহাসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদ মনোনীত করেন। এছাড়া কো-চেয়ারম্যান এবং মজলিশে শূরাও গঠন করা হয়।

‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’ নামে একক সংগঠনের কেন্দ্রীয় নতুন নেতৃত্ব (আংশিক) ঘোষণা করেন অধ্যক্ষ আবুল ফারাহ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যাঁরা এসেছেন তাঁরা হলেন- চেয়ারম্যান শায়খুল হাদীস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী, নির্বাহী চেয়ারম্যান আল্লামা আবুল কাশেম নূরী, মহাসচিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মারূফ, যুগ্ম মহাসচিব ঢাকা মোহাম্মদপুর কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া আলিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক, চাঁদপুর সদরের ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা খাজা আরিফুর রহমান তাহেরী ও চাঁদপুরের কৃতী সন্তান আল্লামা আ.ন.ম মাসউদ হোসাইন আল-কাদেরী, সাংগঠনিক সচিব পীর মুফতি গিয়াসউদ্দিন তাহেরী।

এছাড়া মজলিশে শূরা এবং কো-চেয়ারম্যান প্যানেল ঘোষণা করা হয়। মনোনীত নেতৃবৃন্দ সহসা বসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, জাতীয় এই কাউন্সিলে চাঁদপুর জেলা থেকে শতাধিক কাউন্সিলর অংশ নেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।