বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের উদ্যোগে জশনে জুলুছ

যারা রাসূল (সাঃ) এঁর আগমনের আনন্দ মিছিলকে অস্বীকার করে তারা মোনাফেক : সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদী

মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:২৮ পিএম
যারা রাসূল (সাঃ) এঁর আগমনের আনন্দ মিছিলকে অস্বীকার করে তারা মোনাফেক : সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদী
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে জশনে জুলুছ(আনন্দ মিছিল) অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিজরী ৮ রবিউল আউয়াল মোতাবেক ২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৮ টায় শতাধিক গাড়িবহরে এনায়েতপুর থেকে বাকিলা বাজার পর্যন্ত চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে জশনে জুলুছে নেতৃত্ব দেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ও ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের গদ্দিনশীণ পীর আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদী। বাকিলা, বলাখাল, হাজীগঞ্জ, আলীগঞ্জ ও এনায়েতপুর বাজার প্রদক্ষিণ শেষে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজারে মিলাদ, আলোচনা ও মোনাজাত পরিবেশন করা হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়ে সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদী বলেন, যারা রাসূল দ. এঁর আগমনের আনন্দ মিছিলকে অস্বীকার করে, তারা মোনাফেক। তাদেরকে মুসলমান বলা যাবে না। তারা কোরআন-সুন্নাহর আদর্শ থেকে বিচ্যুত।
তিনি ত্রয়োদশ নির্বাচনে বৃহত্তর সুন্নী জোটের অংশীদারিত্বের বিষয়ে বলেন, সাংবিধানিক নিয়মেই নির্বাচন চায় জনগণ। জনগণের চাওয়ার বাহিরে গিয়ে নতুন কিছু চিন্তা করলে সেটা হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এভাবে অন্তর্বর্তী সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হলে জাতীয় সংকট তৈরি হবে।
সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদী আলোচনায় বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। মব সৃষ্টি করে লুটপাট ও হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, হানাহানি এখন আইয়্যামে জাহেলিয়াতকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই জাহিলয়্যাতের কর্মকান্ড থেকে দেশকে রক্ষা করতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের আক্বীদার ভিত্তিতে ও মহানবী দ. এঁর আদর্শের আলোকে কোরআন-সুন্নাহর রাষ্ট্র ব্যবস্থা সময়ের দাবি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের কেন্দ্রীয় যুগ্মবাস মহাসচীব আল্লামা মোশারফ হোসেন হেলালী, কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাদা সৈয়দ মাহমুদ শাহ্ মোজাদ্দেদী, শাহজাদা অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ নাজমুল হক আখন্দ নক্সবন্দী, মাওলানা মোহাম্মদ আলী নক্সবন্দী, মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাশেম শাহ্ মিয়াজী, প্রভাষক মাওলানা মোঃ আনিসুর রহমান মজুমদার প্রমুখ।
আরও উপস্থিত ছিলেন, মুফতী মাওলানা মঈনুদ্দিন ভূঁইয়া আজমী, মোঃ জাকির হোসেন মিয়াজী, মো: মনজুর আলম পাটওয়ারী সহ হাজারো নবী দ. প্রেমিক সুন্নী জনতা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।