বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে জিএমসি রিফ্রেসার ট্রেনিং সম্পন্ন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:০৩ পিএম
শাহরাস্তিতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে জিএমসি রিফ্রেসার ট্রেনিং সম্পন্ন
শাহরাস্তিতে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও তথ্য প্রবাহকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে   “জিএমসি রিফ্রেসার ট্রেনিং” অনুষ্ঠিত হয়েছে মঙ্গলবার ১৪, অক্টোবর ২০২৫  শাহরাস্তি সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিস্টেন্স (সিসিডিএ) আয়োজনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
এটি বাস্তবায়িত করা হয়েছে,  Strengthened and Informative Migration Systems (SIMS) Phase-2 প্রকল্পের আওতায়। প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
এ সময় বক্তারা জানান, “সিমস্ ফেইজ-২” প্রকল্পটি চাঁদপুর জেলার ৬টি উপজেলায় ৩৭টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভায় নিরাপদ অভিবাসন, আর্থিক সাক্ষরতা এবং আইনী সহায়তা বিষয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর, টামটা দক্ষিণ, মেহের উত্তর, মেহের দক্ষিণ, রায়শ্রী উত্তর, রায়শ্রী দক্ষিণ ও চিতোষী পূর্ব—এই ৭টি ইউনিয়নে প্রকল্পটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রশিক্ষণে স্থানীয় পর্যায়ের চেয়ারম্যান, মেম্বার, বিদেশ ফেরত কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় জিএমসি (গ্রাম/ওয়ার্ড মাইগ্রেশন কমিটি)-এর করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল— অভিবাসন সংক্রান্ত প্রতারণামূলক অভিযোগের প্রাথমিক সমাধান প্রক্রিয়া,স্থানীয়ভাবে সমাধান সম্ভব না হলে রেফার করার পদ্ধতি,চিকিৎসা সহযোগিতা আবেদন প্রক্রিয়া, এবং জিএমসি কমিটির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির দিকনির্দেশনা।
এতে আরো  উপস্থিত ছিলেন হেলভেটাস বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিবৃন্দ। বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের সমন্বয়কারী সাজিদ আহমেদ, সিসিডিএ প্রতিনিধি ও প্রকল্প পরামর্শক খালিদ হাসান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সমন্বয়কারী, পিও (Access to Justice), উপজেলা সমন্বয়কারী সোমা আক্তার, এবং সোশ্যাল মোবিলাইজারবৃন্দ।
সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ শাহ-জাহান বলেন, “এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা জিএমসি কমিটির কার্যক্রম আরও গতিশীলভাবে পরিচালনা করতে পারবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।”অংশগ্রহণকারীরাও প্রশিক্ষণের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং জানান, এ রিফ্রেসার ট্রেনিং তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।