বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি পৌরসভায় ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪৪ পিএম
শাহরাস্তি পৌরসভায় ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর উদ্যোগে মতবিনিময় সভা
সকল ভেদাভেদ ভুলে শাহরাস্তি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ‘ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠী’র উদ্যোগে এক ঐতিহাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৪ অক্টোবর ২০২৫, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ছফিউল্লাহ মিয়াজীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ ফারুক হোসেন মিয়াজী।
তিনি বলেন, “আমরা আজ সকল ভেদাভেদ ভুলে পৌর শহরের ৮ নং ওয়ার্ডের নিজ মেহের মহল্লার বিএনপি’র সকল সমর্থক এক মঞ্চে সমবেত হয়েছি। কারণ এখানেই জন্মেছেন শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম সিদ্দিকুর রহমান হেডমাস্টার এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপির সভাপতি মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী। তাদের আদর্শ ও ত্যাগকে সমুন্নত রাখতে দলীয় বিভেদ, গ্রুপিং ও লবিং ভুলে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতেই আজকের এই আয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া ‘জাগো দল’ থেকেই বিএনপির নেতৃত্বে এসেছিলেন সিদ্দিকুর রহমান হেডমাস্টার। তিনি শাহরাস্তির এই ওয়ার্ড থেকেই ধানের শীষের প্রচারণা শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী সেই রাজনীতির ধারা ধরে শাহরাস্তিতে বিএনপিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।”
আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মিয়াজী বলেন, “আজ বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দেশের মানুষের জন্য যে একত্রিশ দফা কর্মসূচি দিয়েছেন, সেই বার্তাটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। বিএনপি এই দেশের মানুষের জন্য নতুন কিছু নয়— এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে গঠিত একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। আমাদের দায়িত্ব হলো— ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে জানানো: ধানের শীষে ভোট দিন, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ুন।”
তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে “ধানের শীষে ভোট দিন” স্লোগানকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিএনপির চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন।
পরিশেষে তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন— মোঃ সাইফুল করিম মিনার, মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সুমন, মঈনুল ইসলাম কাজল, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ মনির হোসেন মিন্টু, আদনান নোমান, ইমাম হোসেন,মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন,  আবুল হায়দার, মোঃ আনোয়ার হোসেন ওরফে সিরাজুল ইসলাম মিয়াজী, ইউনুস গাজী, আব্দুল মালেক, ফরিদ আহমেদ, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ শফিকুল প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।