বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করছে না : নীরব মহামারি ঠেকাতে একজোট হওয়া জরুরি’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ২:০৬ পিএম
‘অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করছে না : নীরব মহামারি ঠেকাতে একজোট হওয়া জরুরি’

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আমাদের স্বাস্থ্য এবং জীবন বাঁচানো ঔষধগুলোর জন্য এক ভয়ংকর বিপদ ডেকে এনেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে ব্যবহৃত প্রায় ৯৭% অ্যান্টিবায়োটিকই এখন আর ঠিকমতো কাজ করছে না। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশে এক বছরে এএমআর-এর কারণে ২৬,২০০ জনেরও বেশি মানুষ সরাসরি মারা যান। নীরব এ মহামারি ঠেকাতে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করা জরুরি।

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর, ২০২৫) দুপুরে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ “ক্লিনিক থেকে কমিউনিটি : বাংলাদেশে এএমআর সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়াতে সবাই মিলে এগিয়ে আসা প্রয়োজন” শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন। বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ (ডব্লিউএএডব্লিউ) উপলক্ষে সচেতনতা বাড়াতে এই ওয়েবিনারটি আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আর্ক ফাউন্ডেশন। এ বছর ডব্লিউএএডব্লিউ-এর স্লোগান হলো “এখনই কাজ শুরু করুন : আমাদের বর্তমানকে রক্ষা করুন, ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখুন”।

ওয়েবিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা. সামসাদ রাব্বানী খান (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণ, ভাইরাল হেপাটাইটিস ও ডায়রিয়া রোগ কর্মসূচী, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে); ডাঃ অনিন্দ্য রহমান (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ-এর ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার-এএমআর); ডাঃ খালেদা ইসলাম (প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা-এর প্রাক্তন পরিচালক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়); এবং অধ্যাপক ড. রুমানা হক (আর্ক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক)।

ওয়েবিনারে ডা. অনিন্দ্য রহমান এএমআর পর্যবেক্ষণে কিছু গুরুতর ঘাটতি আছে উল্লেখ করে বলেন, পশুপালন ও পরিবেশ খাত থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য একসাথে পাওয়া যাচ্ছে না এবং ল্যাবরেটরির রিপোর্টেও গড়মিল থাকে। তিনি পরামর্শ দেন যে, কম খরচে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের নিয়ম বা স্টুয়ার্ডশিপ প্যাকেজ চালু করতে হবে এবং ভালো হাসপাতাল প্রোটোকল তৈরি করতে অণুজীববিজ্ঞানী ও ডাক্তারদের নিয়ে দল গঠন করা দরকার।

Model Hospital

এসময় ডাঃ সামসাদ রাব্বানী খান স্কুল থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সবার মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ে জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে বলেন, “আমাদের অবশ্যই কমিউনিটিতে নজরদারি চালিয়ে ফার্মেসির আইন কার্যকর করতে হবে। যারা প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং যারা নিয়ম মেনে চলবে, তাদের পুরস্কৃত করতে হবে।”

ওয়েবিনারে প্যানেল আলোচক ডাঃ খালেদা ইসলাম বলেন, গ্রামের স্বাস্থ্যকর্মীরা যদিও অতিরিক্ত কাজের চাপে আছেন, তবুও এএমআর নিয়ন্ত্রণে তারা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। জাতীয় টিকা দান কর্মসূচীর মতো সফলভাবে আমরা যেভাবে কাজ করেছিলাম, সেভাবে বিভিন্ন খাতকে একসাথে নিয়ে এসে এএমআর প্রতিরোধের কাজটিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।”

ওয়েবিনারে তরুণ জনস্বাস্থ্য গবেষক, কমিউনিটি কর্মী, ঔষধ বিক্রেতাসহ অর্ধশত উন্নয়নকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital