বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাদ পড়লেন ৪ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:১০ পিএম
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাদ পড়লেন ৪ জন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা
হয়েছে। বিভিন্ন দলের মোট ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
চাঁদপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি ও তথ্য গোপন করায় ৪
প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেতে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
এই আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ও ভুল তথ্য দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোজাম্মেল, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্বাস উদ্দিন,
স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল’র মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
প্রার্থীদের বাতিলের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ধানমন্ডি শাখায় ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী ও গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি
আব্দুল মালেক বুলবুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্বাস উদ্দিনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৪৬০০এর বেশি স্বাক্ষর হওয়ার কথা কিন্তু ৩১০৬ পর্যন্ত সিরিয়াল আছে বাকিগুলা সিরিয়াল নেই। এর মধ্যে ১ জন মৃত, ব্যক্তির ৭ জনের স্বাক্ষর নাই, ১ জনের খোঁজ নাই। স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির
হোসাইনের ১% যথাযথ নয়। এছাড়া ৬ জনের অস্তিত্ব নেই, ৩ জন এই বিষয়ে জানেন না। সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনোনয়নপত্রে
বিএনপি লিখেছেন, কিন্তু দলের প্রত্যয়ন নেই। স্বতন্ত্র হিসেবে বিবেচনা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় তার মনোনয়নও বাতিল ঘোষনা করা
হয়।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মামুন জানান, ফরিদগঞ্জ পৌরসভাসহ ১৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৩ জন, নারী ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮ টি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।