বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা কাদলা ফাযিল ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ইউসুফ নির্বাচিত

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম
কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা কাদলা ফাযিল ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ইউসুফ নির্বাচিত

কচুয়া উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কাদলা এসএস ফাযিল মাদ্রাসা এবং উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী ইউসুফ নির্বাচিত।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা। একই সঙ্গে ফাজিল মাদ্রাসা ক্যাটাগরিতে ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী ইউসুফ তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলী আশরাফের স্বাক্ষরিত এক পত্রে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ফলাফল, গভর্নিং বডির কার্যকারিতা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রম, অবকাঠামোগত সুবিধা, প্রশাসনিক ও আর্থিক শৃঙ্খলা, আইসিটি ব্যবহারে দক্ষতা, পাঠদান কার্যক্রমের নিয়মিততা, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং জাতীয় দিবসসমূহ যথাযথভাবে উদযাপনের বিষয়গুলো মূল্যায়ন করে প্রতিষ্ঠানটিকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

এ ছাড়া অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী ইউসুফ যোগদানের পর থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন, দ্বীনি ও ইসলামী নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাদানে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তাঁকে তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করা হয়।

Model Hospital

এ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলী আশরাফ খান ও একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম সোহেল রানাসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী ইউসুফ বলেন, ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয়বারের মতো কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান এবং আমাকে তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে মূল্যায়ন করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

এই অর্জনে উপজেলার সুধীজন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা ও এর অধ্যক্ষকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।