বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে স্থানীয় নির্বাচনে আলোচনায় বিএনপির ত্যাগী নেতা ফারুক মিয়াজি

রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৬ পিএম
শাহরাস্তিতে স্থানীয় নির্বাচনে আলোচনায় বিএনপির ত্যাগী নেতা ফারুক মিয়াজি
চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভা এলাকায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবারও আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মিয়াজি। দীর্ঘদিন দলকে ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগঠনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং ব্যক্তিগত ত্যাগের কারণে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ।
বর্তমানে তিনি শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। তাঁর প্রচারণা এবং সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ফারুক মিয়াজি সংগঠন ধরে রাখার জন্য পরিচিত। স্থানীয় নেতারা জানাচ্ছেন, “কঠিন সময়ে সংগঠন বাঁচানো এবং নেতাদের পাশে থাকা আজ খুব কমই সম্ভব, আর ফারুক মিয়াজি ছিলেন এর অন্যতম ভরসা।”
তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানাচ্ছে, মামলা-হামলা, রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি সর্বদা সংগঠনের সঙ্গে ছিলেন। তবে পূর্ববর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপ ও অনিয়মের কারণে পরাজিত হন। তিনি নিজে কখনো বিষয়টিকে রাজনৈতিক উত্তেজনার দিকে মেলে ধরেননি।
গণসংযোগে দেখা গেছে, তরুণদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলক বেশি। তিনি উন্নয়ন, পরিষেবা এবং দুর্নীতিমুক্ত পৌর প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও সততা এবার তাকে ভিন্নভাবে তুলে ধরছে।
ফারুক হোসেন মিয়াজি গণসংযোগে বলেছেন, “আমি কোনো সংঘাত চাই না, উন্নয়ন ও সেবার রাজনীতি করতে চাই। অতীতে অবহেলা-অবমূল্যায়ন হয়েছে, তবু জনগণের ভালোবাসাই আমাকে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়। আমি চাই শাহরাস্তি পৌরসভা একটি সুশাসিত, সুন্দর ও আধুনিক পৌরসভায় পরিণত হোক।”
নির্বাচনী মাঠে তাঁর উপস্থিতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়িয়েছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন জনগণের পাশে থাকা ও দায়িত্ব থেকে সরে না যাওয়া নেতাদের এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মিয়াজি এখন শাহরাস্তির রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাঁর দলীয় ত্যাগ, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মেয়র পদে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা—সব মিলিয়ে তিনি সময়ের আলোচিত নেতা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।