বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দক্ষতা ছাড়া বিদেশ গেলে ভোগান্তি অনিবার্য : ইউএনও জামিউল হিকমা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
দক্ষতা ছাড়া বিদেশ গেলে ভোগান্তি অনিবার্য : ইউএনও জামিউল হিকমা

চাঁদপুর সদর উপজেলায় নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ইউনিয়ন পর্যায়ের মাইগ্রেশন রাইটস অ্যান্ড প্রটেকশন কমিটির (এমআরপিসি) সদস্যদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এম. এন. জামিউল হিকমা।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ইউনিয়ন পর্যায়ের মাইগ্রেশন রাইটস অ্যান্ড প্রটেকশন কমিটির (এমআরপিসি) সদস্যদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে সিসিডিএ’র সিমস-২ প্রকল্পের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস. এম. এন. জামিউল হিকমা বলেন, সরকার লিগ্যাল মাইগ্রেশন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভুল সিদ্ধান্ত ও অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেকের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এতে দেশের মূল্যবান মানবসম্পদ ও অর্থ দুই-ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা অতিরিক্ত আগ্রহ নিয়ে দ্রুত বিদেশ যেতে চান, তাদেরকে সচেতন করতে হবে। দক্ষতা ছাড়া বিদেশ গেলে ভোগান্তি অনিবার্য। তাই কমিটির সদস্য হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব— মানুষকে সঠিক তথ্য দেওয়া এবং নিরাপদ পথে যেতে উৎসাহিত করা।

Model Hospital

ইউএনও উল্লেখ করেন, সরকার বিভিন্ন জিও ও এনজিও’র সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, যাতে কেউ অবৈধভাবে বিদেশে না যায় এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক হয়।

প্রশিক্ষণে সঞ্চালনা করেন সিসিডিএ সিমস-২ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার। প্রকল্প কর্মকর্তা মো. শাহজাহান প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন এবং নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে এমআরপিসি সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক এ কে এম মাহতাব উদ্দিন।

উল্লেখ্য, সিসিডিএ’র সিমস-২ প্রকল্প ২০২৪ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলার ৬টি উপজেলা, ৩৭টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভায় নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।