বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ চরমে

কচুয়া জগতপুর বাজারের খাল দখল-দূষণে বিপর্যস্ত, দুর্গন্ধে নাক চেপে চলাচল

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
কচুয়া জগতপুর বাজারের খাল দখল-দূষণে বিপর্যস্ত, দুর্গন্ধে নাক চেপে চলাচল

কচুয়ায় জগতপুর বাজারের প্রবহমান খালটি দুর্ষণের কারণে বাজারের মানুষের গলার কাঁটায় পরিনত হয়েছে।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার জগতপুর বাজারের প্রবহমান খালটি দখল ও দূষণে কার্যত মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। খালের ওপর ও দুই তীরে গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও ছোট ছোট স্থাপনা। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে জলাবদ্ধতা এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জগতপুর বাজার থেকে ডাকাতিয়া নদী পর্যন্ত বিস্তৃত খালটির বিভিন্ন অংশ দখল হয়ে গেছে। কোথাও পাকা স্থাপনা, কোথাও অস্থায়ী দোকান, আবার কোথাও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এতে খালের প্রস্থ কমে অনেক জায়গায় ৮ থেকে ১০ ফুটে নেমে এসেছে।

খালের ওপর নিয়মিত ফেলা হচ্ছে বাজারের ময়লা-আবর্জনা। পানিতে ভাসছে পলিথিন, পচা খাদ্যদ্রব্য ও প্লাস্টিক বর্জ্য। ফলে পানির রং কালচে হয়ে গেছে এবং ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। কয়েক মিনিটও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম বলেন, একসময় এই খাল কৃষি ও পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে এখন তা মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই আশপাশের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।

Model Hospital

বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, দুর্গন্ধের কারণে দোকানে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে ক্রেতারাও বাজারে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই দূষণ থেকে রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল ইসলাম রাসেল বলেন, খাল দখল ও দূষণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষয়টি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। খালটি দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় জগতপুর বাজারের এই খালটি এখন স্থানীয়দের জন্য ভোগান্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।