বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

“আলু প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে জীবন: উদ্যোক্তা তৈরির সাফল্যগাঁথা তুলে ধরে পুনরায় চালুর জোর দাবি তানিয়া ইশতিয়াক খানের”

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
“আলু প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে জীবন: উদ্যোক্তা তৈরির সাফল্যগাঁথা তুলে ধরে পুনরায় চালুর জোর দাবি তানিয়া ইশতিয়াক খানের”

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন “আলুর বহুমুখী ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিপণন উন্নয়ন” প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন বিজয়ীর ফাউন্ডার, উদ্যোক্তা, সংগঠক ও প্রশিক্ষক তানিয়া ইশতিয়াক খান।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন “আলুর বহুমুখী ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিপণন উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষক, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সেমিনারে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিজয়ীর ফাউন্ডার, উদ্যোক্তা, সংগঠক ও প্রশিক্ষক তানিয়া ইশতিয়াক খান।

বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন, এই প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, আলুর কুকিং ডেমোনস্ট্রেশন প্রোগ্রাম, উদ্যোক্তাদের বিনামূল্যে যন্ত্রপাতি বিতরণ এবং কৃষকদের জন্য হিমায়িত ঘর (কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা) প্রদান এসব উদ্যোগ দেশের কৃষক ও উদ্যোক্তাদের জন্য এক অনন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। তাঁর ভাষায়, এই প্রকল্প শুধু প্রশিক্ষণেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং হাজারো মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন এনেছে।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শত শত নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। হাজারো বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ব্যক্তি, পরিবার এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে আমরা অসংখ্য সফলতার গল্প দেখেছি, যা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
তানিয়া ইশতিয়াক খান জোর দিয়ে বলেন, আসন্ন জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও দেশের উদ্যোক্তা সমাজের পক্ষ থেকে তিনি এই প্রকল্পটি পুনরায় চালুর দাবি জানান। তাঁর মতে, প্রকল্পটি অব্যাহত থাকলে আরও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে, বেকারত্ব কমবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।
উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর এই জোরালো আহ্বান উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং কৃষি-ভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়নে এমন প্রকল্পের ধারাবাহিকতা কতটা প্রয়োজনীয় তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আঃ রহিম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. আব্দুল আলম এবং সাবেক প্রকল্প পরিচালক আনোয়ারুল হক।সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক নাসির-উদ-দৌলা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital