বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে উচ্ছেদ অভিযান, দুই পাশে ভাঙা হবে ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে উচ্ছেদ অভিযান, দুই পাশে ভাঙা হবে ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা

চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগ, চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ আলী উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত প্রায় ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

রোববার (৩ মে) সকাল ১০টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়-এর সামনে থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি নেতৃত্বে
এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহযোগিতা করে।
অভিযানকালে পুলিশ সুপারের বাসভবনের উত্তরপাশে, ওয়ারলেস বিআরডিবি অফিসের সামনে, ইকরা মডেল একাডেমি সংলগ্ন এলাকা, ওয়ারলেস সবজি বাজার, গোশতের বাজার ও ওয়ারলেস মোড়ের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।

ওয়ারলেস বাজারের ব্যবসায়ী মো. ফেরদৌস বলেন, এই জায়গা সড়কের অংশ। এখানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু বহু বছর ধরে এই বাজারের ইজারা দিয়ে আসছে চাঁদপুর পৌরসভা। ইজারাদার কবির খলিফা নিয়মিত খাজনা আদায় করছেন।

এর আগে সড়ক বিভাগ থেকে এসব এলাকায় নোটিশ দেওয়া হয় এবং অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়।

Model Hospital

সড়ক ও জনপথ বিভাগ, চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ আলী বলেন, এটি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ। আজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে শুরু হয়েছে। সপ্তাহব্যাপী এই অভিযান চলবে। জেলা সদর থেকে লালমাই পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশের ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উচ্ছেদের পর ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটি তালিকা করা হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি বলেন, সড়কের দুই পাশে কিছু নিয়মিত বাজার আছে, যেগুলো ইজারা দেওয়া হয়। হাটের দিনে কৃষক ও সাধারণ মানুষ হাতে করে পণ্য এনে বিক্রি করেন। তারা সড়কের জায়গা দখল করেন না। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে স্থায়ী দোকান বসিয়ে নিয়মিত ব্যবসা করছেন—তাদের স্থাপনাই উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।