বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জীবিকার খোঁজে যাওয়া ফরিদগঞ্জের আলমাছ মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন লাশ হয়ে, বুধবার জানাজা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
জীবিকার খোঁজে যাওয়া ফরিদগঞ্জের আলমাছ মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন লাশ হয়ে, বুধবার জানাজা
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দৈনিক ইলশেপাড়ের ফরিদগঞ্জ সংবাদদাতা ও ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব সরদারের ছোট ছেলে মো. আলমাছ সরদার ফরিদের (২৪) মরদেহ মঙ্গলবার দেশে পৌঁছাবে। পরদিন বুধবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমাছ সরদার ফরিদের মৃত্যু হয়। তবে ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর পরিবারটি সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর পায়।
পরিবারের অভিযোগ, যে দালালের মাধ্যমে ফরিদ সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, তিনি প্রথমে মরদেহ দেশে পাঠানোর আশ্বাস দিলেও পরে টালবাহানা করেন। একপর্যায়ে তিনি এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আবু তালেব সরদার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌদি আরবে থাকা পরিচিতজনের কাছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা পাঠান। এরপর দূতাবাসের সহায়তায় মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
পরিবার জানায়, মঙ্গলবার (৫ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় সৌদি আরব থেকে মরদেহবাহী বিমান ছেড়ে আসবে এবং বিকেল ৩টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ ফরিদগঞ্জে নেওয়া হবে। বুধবার সকালে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
আলমাছ সরদার ফরিদ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিথুবা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আবু তালেব সরদার ও হনুফা বেগম দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট। প্রায় দুই বছর নয় মাস আগে তিনি কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রিয়াদে যান। গত ২৪ মার্চ থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে ১৫ এপ্রিল বিকেলে তাঁর মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।